জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বাস জিম্মি করে চাঁদা দাবি, ভাঙচুর এবং চালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাস ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
জানা যায় সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে তানজিল পরিবহন বাসের ধাক্কা লাগে। পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তানজিল পরিবহন ও আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের দুটি বাস ক্যাম্পাসে আটকে রাখে।
এসময় দুই পরিবহনের কাছে মোট ১ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এর মধ্যে ২০ হাজার টাকা পরিশোধের পর তানজিল পরিবহনের বাস ছেড়ে দেওয়া হলেও আজমেরী পরিবহন কর্তৃপক্ষ ৪০ হাজার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা বাসটি ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং ক্যাম্পাসেই আটকে রাখে।
জব্দ হওয়া বাসের চালক অভিযোগ করে বলেন, একজন শিক্ষার্থী বাসে উঠার সময় তানজিল পরিবহনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। কিন্তু পরে শিক্ষার্থীরা আমার বাস আটকায় এবং টাকা দাবি করে। আমি গরিব মানুষ, এত টাকা দিতে না পারায় তারা বাস ভাঙচুর করেছে, আমাকে মারধরও করেছে।
বাস মালিক অভিযোগ করেন, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলায় শিক্ষার্থীরা তার বাসে হামলা চালায়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তাজাম্মুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের এ ধরনের ঘটনাকে পুঁজি করে ক্যাম্পাসে বাস আটকে রাখা বা ভিন্ন কিছু দাবি করা কোনোভাবেই সঙ্গত নয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়। যারা এমন ঘটনার সঙ্গে জড়িত, এটি নিঃসন্দেহে অপরাধ। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।