যশোরের মনিরামপুরে ভ্যান চালক মিন্টু হত্যার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে। বুধবার স্থানীয় মনিরামপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেয় নিহত মিন্টুর ছেলে মোঃ আকাশ। লিখিত বক্তব্যে মিন্টু ছেলে মোঃ আকাশ জানায়, আমরা মনিরামপুর পৌরসভার ০১ নং ওয়ার্ড হাকোবা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। গত ২৯আগষ্ট আমার পিতা ভ্যানচালক মোঃ মিন্টু হোসেন সহ আমার পরিবারের কয়েকজনের উপর সন্ত্রাসীরা হামলা করে। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার পিতার মৃত্যু হয়। আমার পিতার মৃত্যুর খবরে মুহুর্তেই মনিরামপুর উপজেলাসহ দেশব্যাপী একটি আলোড়ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সাংবাদিক ও মনিরামপুর থানা পুলিশের তৎপরতায় হামলাকারীদের মধ্যে প্রধান আসামী বড় সাব্বির সহ ৩ জন গ্রেফতার হয়েছে। আমাদের আক্ষেপ মোতাবেক দ্রুত সময়ে আসামীরা গ্রেফতার হওয়ায় আইনের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
পাশাপাশি আমার পিতার মৃত্যুর দিন হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত মনিরামপুর উপজেলা বি.এন.পি’র সভাপতি এ্যাড, শহীদ মোঃ ইকবাল হোসেন ও তার ছোট ভাই তুহিন হাসান আমাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজ খবর রেখে চলেছেন এবং তারা আশ্বস্থ করেছেন খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি ব্যবস্থা করার জন্য সহযোগীতা করবেন। এমনকি আমাদের পরিবারের সমস্ত দায়িত্বভার তারা গ্রহন করবেন। কিন্তু আমার ছোট কাকা সেন্টুর দুঃসম্পর্কের আত্মীয় যশোরের সুমন নামের একজন ব্যক্তি গত মঙ্গলবার হঠাৎ সকলকে একত্রিত করে যশোরে নেওয়ার উদ্দেশ্যে বলেন যে, বিএনপি কারসাজি করে সাব্বিরকে বাচানোর চেষ্টা করছে।
আমাদের সকলকে এটুকু বলেই যশোরে নিয়ে যায় এবং আমরা যেয়ে দেখি কয়েকজন লোক মানববন্ধনের একটি ব্যানার ধরে দাড়িয়ে আছে, আমরা তাদের চিনিও না। হঠাৎ সুমন কয়েকটি কাগজ আমাদের হাতে ধরিয়ে কোর্ট মোড়ে দাড় করিয়ে দেয়। বাড়ি এসে খোজখবর নিয়ে বুঝতে পারি সুমন আমার পিতার মৃত্যুকে নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির সাথে গোপনে অর্থের লোভে আমাদের নিয়ে উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও তুহিন হাসান’কে ফাসাতে একতাবদ্ধ হয়েছে। আরো জানতে পারি কয়েকজনের কাছ থেকে আমাদের উদ্দেশ্য করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।মূলতঃ ওই সংবাদ ও মানববন্ধনটি ষড়যন্ত্রমূলক মনেকরি। মনিরামপুর প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আইনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।