র কয়রা উপজেলার ৭৯ নং আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান করে প্রশংসায় ভাসছেন। তাদের এই কর্মকাণ্ড নিয়ে স্কুলের অভিভাবক ও গ্রামবাসীর মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন।
স্কুলের অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক স্কুল চলাকালীন সময়ে নিয়মিত পাঠদান করে থাকেন। শিক্ষকরা স্কুল চলাচালিন সময়ে স্কুল থেকে বাইরে বের হয়না। এবং ছেলে মেয়েদেরকে তাদের নিজের সন্তান হিসেবে দেখেন। ছাএ -ছাএীরা শিক্ষকদের পিতা মাতার মতো ভালোবাসেন। স্কুলের লেখা পড়ার মান খুবই এবং স্কুল ক্যাম্পাস সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে।
স্কুলের শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুল্লাহ ও আসামা সহ অনেকে বলেন, আমাদের স্যাররা আমাদের প্রতিদিন ঠিক মোতন ক্লাস নেন, আমাদের প্রতিদিন বাড়িতে পড়ার জন্য আলাদা পড়া দেয়।আমাদের যখন ক্লাস হয় তখন স্যারেরা কোন দিনও ক্লাসের বাইরে যায় না। স্যারেরা আমাদের সবার খুব যত্ন করে।
৭৯ নং আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ইন্দিরা মৃধা বলেন, আমরা স্কুলে যোগদান করার পর থেকে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান করে থাকি। আমাদের চাকরির বিধিতে যেভাবে বলা আছে আমরা ঠিক সেভাবে শ্রেণী পাঠদান করি। আমাদের স্কুলের হেড স্যারের অনুমতি ব্যতীত আমরা কখনোই আমাদের স্মার্ট ফোন
ব্যবহার করি না। তিনি আরও বলেন, আমাদের শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অবশ্যই ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহার করার উপযোগী তাই আমরা ব্যাবহার করি। আমরা আমাদের ব্যাক্তিগত কারণে শ্রেণী কক্ষের ভিতরে স্মার্টফোন ব্যবহার করিনা।
৭৯ নং আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন কুমার বাইন বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নির্ধারিত সময়ের আগেই স্কুলে আসেন এবং শ্রণী পাঠদান করেন। বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে কোন শিক্ষক বিদ্যালয়ের বাইরে যান না। তিনি আরও বলেন, উপজেলার ভিতরে আমার বিদ্যালয়টি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং মানসম্মত লেখাপড়ার মানে অনেক ভালো। এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা আমার বিদ্যালয়ের দিকে সবসময় খেয়াল রাখেন। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুর রহমান ডাবলু বলেন, আমাদের স্কুলে শিক্ষকরা নিয়মিত পাঠদান করেন এবং খুবই পরিশ্রম করেন। আমাদের স্কুলে লেখাপড়া মান খুবই ভালো। তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর আমাদের স্কুলের ছেলে মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করে।
উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মৃন্ময় কুমার মন্ডল বলেন, স্কুলের লেখাপড়ার মান খুবই ভালো এবং উপজেলা শিক্ষা প্রশাসন ও এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসনীয় তিনি আরও বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা তারা তাদের মেধা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে শ্রেণী পাঠদান করেন। আমি সব সময় এই স্কুল মনিটরিং করি এবং খোঁজ খবর রাখি। স্কুলের প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা প্রায় শতভাগ উপস্থিত থাকে। এবং স্কুলটি অত্যন্ত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।