নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নে গত ২২/২৩ অর্থবছরে হয়েছে দুর্নীতি, লোক দেখানোর কাজ করে বাজেটের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে আধাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম রেজাউল করিম পল্টনের বিরুদ্ধে। গত ২২/২৩ অর্থবছরে আধাইপুর ইউনিয়নের বৈকন্ঠপুর গ্রামের মিষ্টি আলার মোড় হইতে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তার সংস্কারে হয়েছে দুর্নীতি। ১.৭৪.০২২ টাকার বরাদ্দ থাকলেও কাজ হয়েছে মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার। মিষ্টি আলার মোড় হইতে মসজিদ পর্যন্ত, রাস্তা সংস্কারে কোনরকম মাটি দিয়েছে আর কর্মসূচির লোক দাঁড়াই মাটি সমান করানো হয়। ১লক্ষ্য ৭৪ হাজার ২২ টাকার কাজ করার কথা। সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার কাজ হয়েছে। রাস্তায় কিছু কিছু জায়গায় ২/৩ ইঞ্চি মাটি ঢেলে কাজটি সমাপ্ত করে। পরবর্তী সময়ে নতুন করে আর একটি প্রকল্পর মাধ্যমে ইট সলিং এর বাজেট নিয়ে সেই কাজটি ও সমাপ্ত করেন তিনি, যাতে গ্রামবাসী বুঝতে না পারে, একই রাস্তার পরপর দুই টি বাজেটে নেওয়া হয়েছে এ রাস্তার জন্য।
এ বিষয়ে গ্রামবাসী জানান, আমরা শুনেছি ১ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকার বরাদ্দ ছিল, সেখানে কোনরকম নাম সাম করে মাটি ফেলেছে তাতে আনুমান খরচা হবে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার। আমরা চেয়ারম্যানকে বলি এইটুক মাটি দেওয়ায় আমাদের চলাচলের ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে বৃষ্টির কারণে রাস্তায় কাদা জুমেছে এরই একটি ব্যবস্থা করেন। পরে চেয়ারম্যান এ কে এম রেজাউল করিম পল্টন বলে, আমি এই রাস্তার উপর বালু দিয়ে দিব, চেয়ারম্যান বালু দেওয়ার কথা বলে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং গ্রামবাসী যেন বুঝতে না পারে এজন্য আর একটি প্রকল্পর মাধ্যমে ইট সোলিং করেছে। বৈকুন্ঠপুর গ্রামের মোজাহার আলী বলেন, এই রাস্তায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে কোনরকম লোক দেখানোর কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছে।
আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার কাজ করেছে। পরবর্তী সময়ে আরেকটি প্রকল্প এনে ইটসোলিং করেছে। একই গ্রামের হামিদুল হোসেন বলে, মিষ্টি আলার মোর হইতে মসজিদ পর্যন্ত সংস্কারের বরাদ্দ ছিল ১ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা, সেখানে কাজ হয়েছে সর্বোচ্চ ২৫থেকে ৩৫ হাজার টাকার কোনমতে মাটি দিয়েছে আর কর্মসূচির মানুষ এনে মাটির ফিনিশিং করে নিয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন করে আর একটি প্রকল্প এনে ইট সলিং করে দিয়েছে। এ বিষয়ে একই গ্রামের বাচ্চু মন্ডল বলে, আমি এর আগে সাংবাদিকদের বলেছি এটার কোন ব্যবস্থা হয়নাই, এখন তো নতুন করে ইট সলিং হয়েছে আর বলেই বা কি হবে। এ বিষয়ে উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মনিরুল ইসলামকে অফিসে গিয়ে না পাওয়ায়, মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করিলে ফোনটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।