নিয়োগ প্রাপ্তির দীর্ঘ ৩৮ বছর পর চাকুরি সংক্রান্ত মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে সুনাম ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে মর্মে অভিযোগ গাইবান্ধার কামারজানি বণিক ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক আবু তাজ মোঃ নওয়াব আলী’র। প্রভাষক আবু তাজ মোঃ নওয়াব আলী’র অভিযোগ, তিনি ১৯৮৭ ইং সালে কামারজানি বণিক ফাজিল মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখায় প্রধান মৌলভী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। অতি সুনামের সাথে দায়িত্ব পালনের এক পর্যায়ে ১৯৯৫ ইং সালে জনবল কাঠামো অনুযায়ী তৎকালীন মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদ শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিত্বে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেন। চাকুরির প্রায় ৩৮ বছরের মধ্যে পর পর ৩টি মিনিস্ট্রি অডিড সম্পন্ন হয়েছে। অডিডে কাগজপত্রের ভুল ধরা পড়লে চাকুরি বহাল থাকার প্রশ্নই আসে না।

চাকুরিতে জোড় পূর্বক নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়া যায় না। নিয়োগ কমিটি নিয়োগ বিধি অনুসরণ করেই নিয়োগ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা মর্মে দাবী করেন। স্থানীয় সুধীসমাজের অভিমত, প্রভাষক আবু তাজ মোঃ নওয়াব আলী এলাকার একজন নৈতিক শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। তার পেশাগত সততা, ন্যায়পরায়ণতা, এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্বশীলতা ও শ্রদ্ধার এক সমষ্টি। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যহীন আচরণ করেন, নিজের কাজ ও আচরণে নৈতিকতা বজায় রাখেন। তিনি সঠিক নীতিবোধ একজন প্রভাষক। শুধু তাই নয়, তিনি স্থানীয় একটি জামে মসজিদসহ ঈদগা মাঠের দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ইমামের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এ কারণে তিনি পথপ্রদর্শক হিসেবে একটি সুস্থ ও নৈতিক সমাজ গঠনেও ইতিবাচক ভূমিকা রেখে আসছেন। তাই ওই প্রতিষ্ঠানে এমন আদর্শের একজন নৈতিক জ্যেষ্ঠতম প্রভাষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে তার সুনাম ক্ষুন্ন করা দুঃখজনক। শিক্ষার্থী অভিভাবকরা বলছেন, প্রভাষক আবু তাজ মোঃ নওয়াব আলী একজন নৈতিক আদর্শবান শিক্ষক। তিনি আমাদের সন্তানদের শুধু পড়াশোনাতেই নয়, নৈতিকভাবেও মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছেন। তার ইতিবাচক প্রভাব এবং সঠিক দিক নির্দেশনা আমাদের সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যতের ভিত্তি তৈরি করছে। চাকুরির শেষ পর্যায়ে তার শিক্ষকতা জীবনের সুনাম ক্ষুন্ন হোক এটি কখনো কাম্য নয়।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}