চরভদ্রাসনের চরহরিরামপুরে চরশালেপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ওপেনিং ডে শিক্ষা অধিদপ্তরে উদাসীনতায় ৭ই অক্টোবর দুপুর ১২ টায় স্কুল বন্ধ সরজমিনে দেখা গেছে। জানা গেছে, চরভদ্রাসন উপজেলায় চরহরিরামপুর ইউনিয়নে১০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রয়েছে। হরিরাম ইউনিয়নে বাড়িতে এবং স্কুল গুলোর বিপরীতে প্রতিটি স্কুল ৪/৫জন শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছে। উপজেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার আজিজ হোসেনের দায়িত্বের নেগলেনসিতে এবং বিভিন্ন স্কুলে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কম’রত শিক্ষিকার স্ত্রী গন শিক্ষকতার কারনে প্রশাসন ওশিক্ষা অধিদপ্তর নেতাভীতুর এঘটনা ঘটছে।গত ২৫শে সেপ্টেম্বর স্কুল ওপেনিং ডে ছিল।২৬ শে সেপ্টেম্বর হতে৬ই অক্টোবর সারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১দিন সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ছিল । চাকরি বিধিতে ওপেনিং ডে এবং ক্লোজিংডে বাধ্যতামূলক থাকলেও তা মানছে না চরভদ্রাসন উপজেলা বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে।
চর হরিরামপুর ইউনিয়নের চরসালেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪জন শিক্ষক কর্মরত তার মধ্য নাসরিন আক্তার স্কুলের এলাকায় বসবাস করছে।বিএনপি’র ভূইফোর নেতা ফেরদৌস আহমেদ খানের স্ত্রী হওয়ায় নাসরিন আক্তার স্কুলেরএলাকায় বসবাস করেওওপেনিং ডে স্কুলে উপস্থিত হয় নি।চর শালেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অন্য তিনজন শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শহীদ কাজী, আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ, মোঃ খোকন। আব্দুল আল ফাহাদ কে সাড়ে বারোটার পরে স্কুল এলাকায় বাজারস্থ চা দোকানে অন্য শিক্ষিকারর হাসব্যান্ড ফোন দিয়ে উপস্থিত হন। আব্দুল আল ফাহাদ জানান,স্কুলের স্বাক্ষর করে এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের ডাকতে যাই, তিনি আরো জানান, সহকারী শিক্ষক নাসরিন স্কুলে ছিল তবে ওপেনিং ডে স্কুল বন্ধ কেন? এপ্রতিবেদক এর উত্তর দিতে পারেন নি। চরের স্কুল গুলোতে নিয়মিত শিক্ষক উপস্থিত না হয়ে বাই রোটেশন উপস্থিত হওয়ার প্রবণতা পরিবর্তন হয়নি ।
এতে চরাঞ্চলে শিক্ষা ব্যবস্থাপন চরম বিপর্যস্ত। চরাঞ্চলে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ব্যাপক লেখালেখি হলেও উপজেলা শিক্ষা অধিদপ্তর এবংজেলা শিক্ষা অধিদপ্তর নামমাত্র শোকচ করেই ক্ষান্ত। এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন কে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ নাকরায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।চরভদ্রাসন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ হোসেনকে অদ্যাবধি বারবার ফোন দিও রিসিভ না করা বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।