চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) এর চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয় সিএমপি’র সোয়াট টিমের সহায়তায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিএমপি’র উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম।
অভিযানটি শুরু হয় ৯ অক্টোবর দুপুর ১২টায় এবং শেষ হয় ১০ অক্টোবর ভোর ৪টার দিকে। এ সময় চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ এবং বাকলিয়া থানার বিভিন্ন স্থানে একাধিক অভিযান চালানো হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ বেলাল (২৮) হৃদয় বড়ুয়া (৩০) মোঃ আজাদ (২৩) তাদের মধ্যে মোঃ আজাদের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় অস্ত্র ও দস্যুতার দুইটি মামলা রয়েছে।
অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ২৪ জন চিহ্নিত ও অজ্ঞাত ৬-৭ জন আসামি পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন,
শহিদুল ইসলাম ওরফে বুইশ্যা (২৩): চান্দগাঁও থানায় অস্ত্র, মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী ১৯টি মামলা রয়েছে। আইয়ুব আলী (৪১): একই ধরনের ১৮টি মামলা। মোঃ ইদ্রিস (২৩): ৯টি মামলা। মোঃ ইয়াছিন (২৩): ৫টি মামলা। শিবু (২৭): ৪টি মামলা।
অভিযানে ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
বিদেশি একনলা বন্দুক: ৩টি (ছোট ও লম্বা) দেশি পাইপগান: ২টি শর্ট শুটার গান: ১টি তাজা কার্তুজ: ৫৮টি, পিস্তলের ম্যাগাজিন: ১৩টি পিস্তলের গুলি: ৯৫টি নগদ টাকা: ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ইয়াবা: ৩,৫০০ পিস গাঁজা: ৫ কেজি ৫০০ গ্রাম (১১০০ পুরিয়া)।
এছাড়াও উদ্ধার করা হয়: ওয়াকিটকি, ড্রোন, সিসি ক্যামেরা, DVR, ড্রিল মেশিন, রড কাটার, বিভিন্ন সাইজের রেঞ্জ, ছোরা, লোহার রড, মোটরসাইকেল, টাকা গণনার মেশিনসহ একাধিক সরঞ্জাম।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে চান্দগাঁও থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে: আর্মস অ্যাক্ট ১৮৭৮ এর অধীনে মামলা নং ১৩ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনে মামলা নং ১৪, আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে