ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ডা. হামদু মিয়া স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি ২০২৪’ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।
ইব্রাহিমপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুপ্রেরণামূলক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. হামদু মিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মো. কামরুজ্জামান।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের মোট ৩৭টি বিদ্যালয়ের ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় এবারের বৃত্তি পরীক্ষায়।
এর মধ্যে মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে ১০ জন টেলেন্টপুল ও ১৫ জনকে সাধারণ গ্রেড সহ মোট ২৫ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু মোছা, সাবেক চেয়ারম্যান নোমান চৌধুরী, নবীনগর সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি গোলাম হোসেন খান টিপু, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সবুজ সরকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য উবায়দুল্লাহ সরকার, বিএনপি নেতা শাকিল আহমেদ, এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ‘ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশন ৯৬ ব্যাচের’সদস্য আল আমিন।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন,“লেখাপড়ার উদ্দেশ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো করা নয়, বরং প্রকৃত মানুষ হয়ে সমাজ ও দেশের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করা। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের রাষ্ট্রযন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি। তাই মেধা, সততা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে গড়ে উঠতে হবে।”তাঁরা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সফলতার পেছনে শিক্ষকদের অবদান কখনো ভোলা যায় না। মা-বাবার আদর্শ ও শিক্ষকদের পরামর্শ অনুসরণ করে এগিয়ে গেলে ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. কামরুজ্জামান বলেন,
“শিক্ষার মানোন্নয়নে এই বৃত্তি কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যেতে ফাউন্ডেশন অঙ্গীকারবদ্ধ। এছাড়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্থাপিত ক্লিনিকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও এক মাসের ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন,“ডা. হামদু মিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতেও নবীনগরবাসীর সার্বিক মানবকল্যাণে কাজ করে যাবে।”অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা শিক্ষাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেন।