চাঁপাইনবাবগঞ্জে কথিত দুই ভূয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফরমে বক্তব্য ভুল ভাবে পাবলিশ করা ও ব্ল্যাক মেইল করে ৫০.০০০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী’র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৯টার সময় মডেল প্রেসক্লাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর হল রুমে মোঃ আলম (৪৯) নামে এক ব্যাক্তি এই সংবাদ সম্মেলন করেন,  এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। এক লিখিত বক্তব্যে মো. আলম বলেন,  গত ৮ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখ বিকাল ৫ টার  সময় আমি আমার বাড়িতে অবস্থান কালে দুইজন অজ্ঞাতনামা মহিলা আমার বাসায় আসে এবং আমার সাথে কথা বলতে চায়, আমি উক্ত অজ্ঞাতনামা মহিলাদের সাথে কথা বলার সময় কথিত দুই ভুয়া সাংবাদিক ১। মোঃ জাহিদ (২৮), পিতা- মৃত লালচাঁন হাফেজ, সাং-রামকৃষ্টপুর, মাঝপাড়া, ২। মোঃ সনি (৩০), নানা- মোঃ খাইরুল ইসলাম, নানার বাড়ির ঠিকানা সাং-শংকরবাটি সালেহ মেম্বার এর বাড়ির সামনে মসজিদের পার্শ্বে, উভয় থানা ও জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জদ্বয় আমার বাড়ির সামনে এসে অহেতুক আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমার নিকট ৫০,০০০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে, তানাহলে আমার ও আমার স্ত্রীর ছবি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক সহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ইলেকট্রিক মিডিয়াতে দিয়ে আমাদের সম্মানহানী ঘটাবে মর্মে হুমকি প্রদান করে।

আমি টাকা দিতে অপরগতা প্রকাশ করলে উক্ত ভূয়া সাংবাদিকদ্বয় রাগান্বিত হয়ে আমাকে বিভিন্ন প্রকার অকথ্য ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমি তাদের গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও প্রান নাশের হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে তারা আমাদেরকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আমাদের বক্তব্য মোবাইলে ধারন করে সেই বক্তব্য এডিট করে পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফরমে পাবলিশ করে। এতে সদর থানার একজন এসআই এর নামের পাশাপাশি অফিসার ইনচার্জের নাম জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইনে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্য হওয়ায় আমরা আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই উক্ত বক্তব্য সম্পন্ন মিথ্যা ও ভুয়া। এর সাথে উক্ত এসআই ওসি বা কোন পুলিশ সদস্য জড়িত নয়।

আমার বক্তব্য এডিট করে ভুয়া সাংবাদিক জাহিদ ও সনি অনলাইন প্লাটফর্মে পাবলিশ করায় আমরা এর তিব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি কথিত দুই ভূয়া সাংবাদিক জাহিদ ও সনিকে গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হক। তিনি আরও বলেন আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি এই জাহিদ ও সনি কোন বৈধ টেলিভিশন বা প্রিন্ট পত্রিকা বা অনলাইন মিডিয়ায় কাজ করেন না। এরা ব্ল্যাক মেইল, চাঁদাবাজি, চুরি ডাকাতির সাথে জড়িত কিছুদিন আগেই আমাদের পাশের জেলা নওগাঁর পরশা উপজেলায় চুরি করা ৫০ ক্যারেট আম সহ ধরা পড়েন জাহিদ ও বাদরুল এবং পালিয়ে যেতে সক্ষম হন সনি। সেই মামলায় জেল থেকে জামিনে বেড়িয়ে এসে সাংবাদিক তকমা ব্যবহার করে তারা একের পর এক অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}