বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রাম গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে যে, দেশের অন্যতম পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপে ঝুট (অবশিষ্ট কাপড়) ব্যবসা নিয়ে ইপিজেড এলাকায় কয়েকটি পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আগে প্যাসিফিক জিন্সের ঝুট বাইরে বিক্রি হতো, কিন্তু বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব রিসাইক্লিং ইউনিটে সেই ঝুট ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিতে ঝুট ব্যবসায়িদের প্রভাবশালী একটি মহল শ্রমিকদের উসকানি ও গুজব ছড়িয়ে কারখানায় হামলা চালায় এবং কর্মপরিবেশ অস্থিতিশীল করে তোলে—এমন অভিযোগ উঠেছে।

এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি, সদস্য সচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী ও প্রকৌশলী জানে আলম সেলিম বলেন, ১৫ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন কারখানার ভেতরে কিছু শ্রমিক কাজে যোগ না দিয়ে মারামারি, ভাঙচুর ও লুটপাটে জড়িত হয়। শ্রমিকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় গত ১৭ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পৃথক আটটি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড) এলাকায় প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের সাতটি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানা বন্ধ থাকায় ৩৫ হাজারেরও বেশি শ্রমিক বেকার হয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

বিবৃতিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে ঝুট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা, হঠাৎ সাতটি কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা এবং দ্রুত উৎপাদন স্বাভাবিক করে শ্রমিকদের কাজে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}