গাইবান্ধায় ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের মামলায় বিজ্ঞ আদালতের আদেশ হবার পরেও জমির দখল বুঝে না পাওয়ায় উৎকণ্ঠায় পড়েছেন মামলার বাদী মাহফুজা বেগম।
মামলা সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার গোবিন্দপুর মৌজার ১ নং জেএল ভুক্ত এসএ ১৫৬৯ খতিয়ানে ১১৫৮ দাগে ০.১৭ একর জমি নবাব আলী সেখ ও মকর আলী সেখ, পিং ফজর উদ্দিন এর নামে রেকর্ড প্রকাশিত আছে ও এসএ ১৫৭৬ খতিয়ানে ১১৩৯, ৮৩০, ১১৫৮ দাগে মোট ৩টি দাগে মোট ৪৭ একর জমি নবাব উদ্দিন সেখ সহ মোট ৪ জনের নামে রেকর্ড প্রকাশিত আছে। এসএ রেকর্ডীয় মালিক নবাব আলী সেখ ১৫৬৯ ও ১৫৭৬ খতিয়ানে তার প্রাপ্ত অংশ থেকে বিগত ২২/০৪/১৯৭৪ তারিখে ৮৪০৬ নং রেজি: কবলা দলিল মূলে নালিশী সাবেক ১১৫৮ হাল ৪৭২ দাগে ০.১২ একর জমি হালিমা খাতুন, স্বামী মোঃ ফজল উদ্দিন সরকার এর নিকট হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে হালিমা খাতুন নালিশী জমি বিগত ০৪/০২/১৯৮০ তারিখে ২০৬৮ নং রেজি:কবলা দলিল মূলে মাহফুজা বেগম, স্বামী মোঃ আফতাব হোসেন এর নিকট হস্তান্তর করেন। নালিশী হাল ৪৭২ দাগে ০.১২ একর সহ মোট ৫টি দাগে ৯৪ একর জমি আরএস খতিয়ান ২৮৩৩ প্রার্থীপক্ষ মাহফুজা বেগমের নামে চূড়ান্তভাবে রেকর্ড প্রকাশিত হয়েছে। নালিশী জমি শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগদখল করা কালে বিগত ১০/১১/২০২৩ তারিখে প্রতিপক্ষ মতিয়ার রহমান সহ মোট ৭জন নালিশী ০.১২ একর জমি অবৈধ ভাবে দখল করেন। এ ব্যাপারে মাহফুজা বেগম বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা ( নং ১২/২০২৫) দায়ের করেন।
বিজ্ঞ আদালত উভয়পক্ষের দাখিলকৃত কাগজাপত্রাদী, গাইবান্ধা সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর প্রতিবেদন এবং উভয়পক্ষের শুনানী অন্তে গত ৩০/০৭/২০২৫ ইং তারিখে রায় ঘোষণা করেন। এরপর ১০/০৯/২০২৫ ইং তারিখে আদেশ নামা স্বাক্ষর করেন।
গাইবান্ধা সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আদেশ পৌঁছে ১১/০৯/২০২৫ তারিখে।
মামালার বাদী মাহফুজা বেগমের অভিযোগ, গাইবান্ধা সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে বিজ্ঞ আদালত জমি দখল বুঝে দেয়ার জন্য ১৫ দিনের সময় দিলেও
অজ্ঞাত কারণে তিনি ৩৫ দিন পরে নোটিশ জারি করেন, এই সুযোগে প্রতিপক্ষগণ আপিল দায়ের করে উচ্ছেদ অভিযান বাধাগ্রস্ত করেন। এতে ভুক্তভোগী বাদী মাহফুজা বেগম ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হবার আশঙ্কায় উৎকণ্ঠায় দিনাতিপাত করছেন।