বাংলাদেশের মধ্যে যশোর খেজুর রসের গুড়ের জন্য বিখ্যাত, প্রতিকুল আবহাওয়া ও বছরের বেশির ভাগ সময় পানিবন্দি থাকায় হারতে বসেছে সেই ঐতিহ্য বাহি খেজুরের রস। মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় এখনো অধিকাংশ খেজুর গাছের গোড়ায় পানি, রাস্তার পাসে ও একটু উঁচু জমিতে খেজুর গাছ গুলো কাটার ব্যস্ত গাছিরা।
খাটুয়া ডাম্গা গ্রামের গাছি সফর আলী গাজী বলেন পানি শুকাতে দেরি হবে তাই আগে থেকে উঁচু জমিতে ও রাস্তার পাশের গাছগুলো আগে থেকে কাটা শুরু করছি, অগ্রিম রস পেলে চড়া দামে গুড় বিক্রি করতে পারবো,
কুশারি কোনা গ্রামের গাছি ইজ্জত আলী বলেন পানি বন্দী থাকায় আমরা খেজুর গাছ কাটতে পারছি না ফলে আমাদের পুরোনো ঐতিহ্য হারাতে বসেছি, উঁচু জায়গায় অল্প কিছু খেজুর গাছ আছে সেগুলো কাটা শুরু করছি, শুরু থেকে আগামী ১৫/২০ দিনের মধ্যে পুরো রস আসতে সময় লাগবে, এখন থেকে এই সময়ের মধ্যে রস পেলে রস ও খেজুর গুড় ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো,।
ইজ্জত আলী বলেন একভাড় গুড় ১৫ টাকা থেকে দুই হাজার টাকা পর্যান্ত বিক্রি করে থাকি, তবে যদি আগে থেকে রস বের হয় তাহলে খেজুর রসের পাটালি বানিয়ে চড়া দামে বিক্রি করতে পারবো, প্রতিকেজি পাটালি ৪শত টাকা থেকে ৫ শত টাকায় বিক্রি হয় ফলে গাছিরা ভালো লাভবান হয়,সে জন্য একটু আগে থেকে গাছ কাটার কাজে ব্যস্ত। তিনি আরওয় বলেন যদি খেজুর গাছের গোড়ায় পানি বন্দী না থাকে তাহলে আবার সেই পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আসবে আমাদের, যশোরের খেজুরের গুড় আবারও বিখ্যাত হবে যশোরে।