ডিজিটাল যুগে যখন তরুণ সমাজ ক্রমেই মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ডুবে যাচ্ছে, ঠিক তখনই কেশুয়া গ্রামের একদল তরুণ-তরুণী নিয়েছেন এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ “কেশুয়া পাবলিকিয়ান ফ্যামিলি স্ট্রিট লাইব্রেরি”।
চন্দনাইশ উপজেলার বরমা ইউনিয়নের কেশুয়া গ্রামের স্থানীয় স্কুলের দেয়ালে স্থাপন করা এই ছোট্ট মিনি ফ্রি লাইব্রেরি এখন সবার জন্য উন্মুক্ত। এখানে যে কেউ বই নিয়ে পড়তে পারবে, আবার পড়া শেষে রেখে যেতে পারবে অন্য বই, যেন জ্ঞান বিনিময় চলতে থাকে অবিরাম।
লাইব্রেরির সামনে লেখা অনুপ্রেরণামূলক বাক্যটি—
“Reading is to the mind what exercise is to the body”
— যেন পাঠপ্রেমী সকলের মন ছুঁয়ে যায়।
এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছেন গ্রামের সেই তরুণ প্রজন্ম যারা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। তারা চায় তাদের গ্রামের শিশুরা ও কিশোররা মোবাইল আসক্তি থেকে বেরিয়ে বইয়ের প্রেমে পড়ুক, নতুন চিন্তা ও জ্ঞানে আলোকিত হোক।
কেশুয়া পাবলিকান ফ্যামিলি স্ট্রিট লাইব্রেরি এখন শুধু একটি বুকশেলফ নয়, বরং এটি একটি — সচেতনতার, জ্ঞানের এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতীক সরূপ।
স্থানীয়রা বলছেন, এমন উদ্যোগ গ্রামে নতুন প্রজন্মের মানসিক বিকাশে অসাধারণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্যোক্তা বলেন,
“আমরা চাই, আমাদের গ্রামের ছেলেমেয়েরা যেন মোবাইল স্ক্রিন নয়, বইয়ের পাতায় আলো খুঁজে পায়।”