যশোরের মনিরামপুর উপজেলার হরিনা গ্রামে গৃহবধূ শিল্পী মল্লিকের আত্মহত্যা নিয়ে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার বিবরনে জানাযায় যশোর সদর উপজেলার সাড়া পোল রুপদিয়া গ্রামের অনন্ত মল্লিকের মেয়ে শিল্পী মল্লিকের সাথে মনিরামপুর উপজেলার হরিনা গ্রামের মাধব কুমার রায়ের ছেলে রনি রায়ের সাথে সাড়ে ৪ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের সংসার ভালোই চলছিল কিন্তু তাদের সংসারে একটা পুর্ত সন্তানের জন্ম হয় তার কিছু দিন পর থেকেই রনি শিল্পীর সংসারে মাঝে মধ্যে ঝগড়া ঝামেলা হতে থাকে। এমন কি শিল্পী কে মারধর শুরু করে রনি, শিল্পীর মৃত্যুর কয়েক মাস আগে থেকে শিল্পীর বা, মা, ভাই এমন কি তার কোন আত্মীয়দের সাথে ফোনে কোন রকম যোগাযোগ করতে দিত না রনির পরিবার এসব কথা জানিয়েছেন আত্মহত্যা কারি গৃহবধূ শিল্পীর মা নিলিমা মল্লিক। অন্য দিকে শিল্পীর ভাই মহিত মল্লিক বলেন আমার বোনের উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে রনি বিভিন্ন সময় মারধর করতো এমনকি ঘটনার দিন আত্মা হত্যার আগের দিন ও রনি শিল্পীকে বেধড়ক মারধর করে, যা আমার বোনের শরীরে রীতিমত বোঝা যাচ্ছে, এমনকি তার গলায় নকের দাগ কেটে গেছে আমাদের মনেহয় আমার বোন কে গলা টিপে মারধর করে মেরে ফেলে গলায় ফাস দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ২ নবেম্বর সন্ধ্যার দিকে রনির বাড়িতে। রনির বাড়ির সাথে চায়ের দোকান থাকায় রনি, রনির, বা, মা, রনির স্ত্রী শিল্পী মল্লিক সবাই মিলে দোকান চালাতো যার কারনে স্থানীয় যুবসমাজের একটা বড়ো অংশ সহ বিভিন্ন স্রেনির লোকজন তাদের চায়ের দোকানে আসতো রনির বাবা মাধব কুমার রায়ের দাবি সেই সুবাদে জনৈক এক ছেলের সাথে শিল্পী মল্লিকের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এ বিষয়ে জানাজানি হলে তাদের সংসারে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়, একারণে শিল্পী আত্মা হত্যা করেছে। শিল্পী আত্মহত্যার আগের দিন সন্ধ্যার দিকে রনি জনৈক যুবক তার দোকানে গেলে তার কাছ থেকে হিসাব করার কথা বলে ফোন আটকিয়ে দিয়ে বলে আমার পাওয়না ১৭ শত টাকা দিয়ে ফোন নি যেতে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রনি ও তার বাবা মাধব কুমার জনৈক যুবককে মারধর করে পরে স্থানিয় লোকজনের সমযতায় উক্ত ১৭ শত টাকা দিয়ে তার ফোন নিয়ে চলে যায় এমনই জানান রনির বাবা মাধব কুমার। তবে একমার্ত মেয়ের এই মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না শিল্পীর মা নিলাম মল্লিক। নিলামা মল্লিক বলেন আমার মেয়ে কে তারা মেরে ফেলেছে আমি এর সঠিক বিচার চাই। যাতে করে আর কোন মায়ের কোল এমন করে হা হাকার না করে, শিল্পীর তিন বছরের একটা ফুট ফুটে ছেলে আছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}