বিশ ডায়াবেটিস দিবস ২০২৫ এবারের প্রতিপাদ্য : No more do more for diabetes at work (কর্মস্থালে ডায়াবেটিস সচেতনতা গড়ে তুলুন) এই শ্লোগানের প্রতিপাদ্য বাস্তাবয়ন স্বরুপ এসো সচেতন হই সোসাইটি-এসই বিভিন্ন কর্পোরেট অফিসে ডায়াবেটিস সচেতনতার উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছেন জনস্বাস্থ্য পেশাজীবী ও সমাজকর্মী মোঃ মাজাহারুল ইসলাম।
অদ্য ০৫ নভেম্বর, রোজ বুধবার ঢাকায় একটি কর্পোরেট অফিসে ডায়াবেটিস সম্পর্কে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উপস্থিত কয়েকজনের পূর্ব থেকেই ডায়াবেটিস ছিল, তাদেরকে কাউন্সিলিং করা হয় এবং সুগার যাতে স্বাভাবিক থাকে তার জন্য এসই এর সম্মানিত চিকিৎসক কর্তৃক চিকিৎসা দেয়া হবে জানান মোঃ মাজহারুল ইসলাম।
ডায়াবেটিস (Diabetes) হলো একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ, যেখানে শরীরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। যদি এটি নিয়ন্ত্রণে না রাখা হয়, তবে বিভিন্ন জটিলতা ও ক্ষতিকর প্রভাব দেখা দিতে পারে।
আলোচনায় এর ক্ষতিকর প্রভাব গুলো আলোকপাত করা হয় যেমন,
১. হার্ট এবং রক্তনালি সম্পর্কিত সমস্যা
– হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি।
– রক্তনালির প্রদাহ এবং ব্লকেজ, যেটি স্ট্রোকের কারণ হতে পারে।
২. কিডনি ক্ষতি (Diabetic Nephropathy)
– দীর্ঘমেয়াদি ডায়াবেটিস কিডনির ক্ষতি করতে পারে, যা কিডনি ফেলিয়ারের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
৩. চোখ ও দৃষ্টিশক্তি সমস্যা
– ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি: রেটিনার ক্ষতি, দৃষ্টি ঝাপসা বা অন্ধত্ব।
– ছানি বা চোখে সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি।
৪. নার্ভের সমস্যা (Diabetic Neuropathy)
– পায়ে বা হাতে ঝিনঝিন করা, জ্বালা বা ব্যথা।
– পায়ের সংক্রমণ বা ক্ষত দ্রুত হতে পারে।
৫. পায়ে সমস্যা
– ক্ষত ভালোভাবে না সেরে যাওয়া
– সংক্রমণ ও আলসার (Ulcer)
– গুরুতর ক্ষেত্রে পায়ের অংশ কেটে ফেলা প্রয়োজন হতে পারে
৬. দান্ত ও মুখের সমস্যা
– দাঁতের ক্ষয়, গাম সংক্রমণ বা মুখের রুক্ষতা বৃদ্ধি।
৭. মানসিক ও মানসিক স্বাস্থ্য
– অবসাদ, উদ্বেগ ও মানসিক চাপ বাড়তে পারে।
৮. ইমিউনিটি দুর্বল হওয়া
– সংক্রমণ ও অসুস্থতার ঝুঁকি বৃদ্ধি।
নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের উপায়
– নিয়মিত রক্তে শর্করার পরীক্ষা
“তাই আসুন সুস্থ থাকা অবস্থায় বছরে দুই বার রক্তের শর্করা পরীক্ষা করি”