নারী ও যুবদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব বিকাশে নাগরিক সমাজের ভূমিকা জোরদার করার লক্ষ্যে Bright Bangladesh Forum ও ActionAid Bangladesh-এর সুশীল প্রকল্পের আওতাধীন ‘নারী ও যুবদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব বিকাশে নাগরিক সমাজ সম্মেলন’১৬ নভেম্বর রবিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনের শুরুতে বিভিন্ন ব্যানার–ফেস্টুন নিয়ে এক বর্ণাঢ্য র্যালি প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে ডা. খাস্তগীর স্কুল মোড় ঘুরে পুনরায় প্রেস ক্লাবে এসে শেষ হয়। র্যালিতে নারী, যুব, সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরামের প্রধান নির্বাহী জনাব উৎপল বড়ুয়া এবং কীনোট উপস্থাপন করেন সুশীল প্রকল্পের চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়কারী জনাব রিদুয়ানুল হাকীম রিয়াদ।
প্যানেল আলোচনায় অতিথিদের অভিমত
প্রফেসর আবু নোমান, সাবেক ডিন, আইন অনুষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বলেন,
“সুশাসন প্রতিষ্ঠায় যুব ও নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই। সমতাভিত্তিক নির্বাচনী প্রক্রিয়া গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।”
দেলোয়ার মজুমদার, সভাপতি, সনাক চট্টগ্রাম বলেন,
“নির্বাচন শুধু ভোট নয়—এটি অংশগ্রহণ, জবাবদিহি ও নৈতিক নেতৃত্বের চর্চা। নাগরিক সমাজকে এগিয়ে আসতেই হবে।”
নুরুসছাপা ভূইয়া, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, সিপিবি উল্লেখ করেন,
“যুবদের রাজনৈতিক সচেতনতা সমাজ পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। তাদের নেতৃত্ব বিকাশ আজ সময়ের দাবি।”
সাইদ মিলকি, সাবেক কর্মকর্তা, ইউনিসেফ বলেন,
“অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি হলো টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি। তরুণদের কণ্ঠস্বর শোনা ও মূল্যায়ন করা এখন জরুরি।”
নূরজাহান খান, নারী নেত্রী ও সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, চট্টগ্রাম—নারী নেতৃত্ব বিকাশে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিএসও হাবের সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ আজগরী।
সম্মেলনের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন চট্টগ্রাম সিএসও হাবের প্রেস সেক্রেটারি জনাব সাকিবুল হাসান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সংশপ্তক, স্বপ্নীল ব্রাইট, ব্র্যাক, যুগান্তর, উষা, সিডিসি, যুগান্তর, অপরাজেয় বাংলাদেশ, শ্রমিক ইউনিয়ন, টিআইবি সহ ২০ টি অর্গানাইজেশনের প্রধান ও পরিচালকগণ
এই সম্মেলন নারী ও যুবদের অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং জবাবদিহিমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। ভবিষ্যতে আরও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।