ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘরে ঘরে গিয়ে অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের তরুণী ও মহিলাদেরকে আয়ের উৎস সৃষ্টি হয় এমন সব টেকনিক্যাল কাজ শিখিয়ে বিভিন্ন পন্য সামগ্রী (সেলাই মেশিন,ল্যাপটপসহ) দেওয়ার আশ্বাসে তরুণী / মহিলারা লোভের ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে প্রতারক চক্র গাঁ ঢাকা দেয়।
এমনই একটি চক্র “প্রতিভা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার”। গত মাসে তাদের প্রতারণার জালে আটকা পড়েন শিবপুর ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামের ৩২জন অসহায় ও হতদরিদ্র তরুনী/মহিলা। ভর্তির ফি হিসেবে জনপ্রতি ৬০০ টাকা করে জমা দিয়ে ভর্তি হয়। ১৭দিন প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর চক্রটি গা ঢাকা দেয় এবং আর ফিরে আসেনি। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সদস্য তাদের কোন খোঁজ পাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মহিলা বলেন- গত দুই মাস আগে আমাদের বাড়িতে একদল লোক হাতের কাজ শিখানো এবং ট্রেনিং শেষে প্রত্যেককে একটি করে সেলাই মেশিন/ল্যাপটপ দেওয়া হবে বলে আমাদের বাড়িতে লিফলেট দিয়ে যায়। পরে আমরা ট্রেনিংয়ের সেন্টার হিসেবে “মিরপুর শিশু কিশোর মডেল একাডেমিতে” নির্ধারিত ফি (৬০০ টাকা) দিয়ে গত ১৬ই নভেম্বর’২৫ তারিখে ভর্তি হয়। ১৭ দিন ট্রেনিং করার পরে তারা আর আসেনা এবং ফোন ও ধরেনা। মিরপুর শিশু-কিশোর মডেল একাডেমিরে প্রধান শিক্ষক মো. রোমন সরকারে নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন- ” ট্রেনিং কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে জায়গা দেওয়ার প্রস্তাব আসেলে প্রশিক্ষণার্থীদের কথা চিন্তা করে আমি তাদেরকে সুযোগ দেয়। তারা কেন আসে না তা আমি অবগত নই। আমি তাদেরকে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করে কথা বলেনা”। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রতিভা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার এর পরিচালক মো. ইয়াছিনের ফোন নম্বরটি (01883178132) বন্ধ পাওয়া যায়।