নীলফামারী-১ আসনটি ডোমার ও ডিমলা উপজেলা নিয়ে গঠিত। আসনটি জোটের জটিলতায় ফাঁকা রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপি। সারা বাংলাদেশে বিএনপি’র মনোনিত প্রার্থীর তালিকা ২বার প্রকাশ করলেও নীলফামারী-১আসনে প্রার্থীর নামের তালিকা ফাঁকা রাখা হয়।

গত ২৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার গুলশানের দলীয় কার্যালয় হতে সংবাদ সম্মেলণে ৩য় বারের মতো ফাঁকা আসন গুলোর নামের তালিকা ঘোষনা করেন বিএপির মহা সচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নামের তালিকায় বিএনপি’র সাথে জোট জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহা সচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীকে নীলফামারী-১ আসনের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষনা করেন। এসময় তিনি আরো বলেন দলের সিন্ধান্তের বাহিরে গিয়ে যারা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অপরদিকে ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনকে দলীয় প্রার্থী না করায় হতাশা প্রকাশ করেছে ডোমার ডিমলার বিএনপির নেতাকর্মীসহ সমর্থকরা। তারা বলছেন আসনটিতে প্রার্থী নির্বাচনে ভুল করেছে বিএনপির শীর্ষনেতারা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ক্ষোভ ঝাড়ছেন অনেকে। তাদের দাবী নীলফামারী ১ আসনে প্রার্থী পুন:বিবেচনা করে ধানের শীষে তুহিনকে মনোনয়ন দেয়ার জন্য হাইকমান্ডের কাছে অনুরোধ জানান।

দলীয় নেতাকর্মী ও বিএনপি সমর্থকরা বলছেন ধানের শীষে তুহিনকে প্রার্থী না করলে হয়তো এই আসনটি হারাবে বিএনপি। কারন ১৭ বছর পর দেশে এসে কারাভোগ করার পর ডোমার ডিমলায় এসে দলীয় নেতা কর্মী ও সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে মাঠ গুছান তিনি। তুহিন বিভিন্ন হাট-বাজার পাড়া-মহল্লা ও বাড়ী বাড়ী গিয়ে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন। কিন্তু যাকে এই আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে তাকে অনেকে চিনেও না। আবার অনেকে নামও শুনেনি। কি ভাবে বিএনপির হাইকমান্ড কোনো জরিপ ছাড়াই জোট প্রার্থী আফেন্দীর নাম ঘোষনা করলো।

কাপড় ব্যবসায়ী মামুনুর রশীদ মামুন বলেন তুহিনকে ধানের শীষে এই আসনটিতে মনোনয়ন দিলে বিজয় সুনিশ্চিত ছিলো কিন্তু জোট প্রার্থীকে খেজুর গাছে বিজয় অনেক কষ্টসাধ্য হবে। তাই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অনুরোধ করবো আসনটির প্রার্থীতা পুন:বিবেচনা করে ধানের শীষে তুহিনকে নমিনেশন দেওয়া হোক।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}