বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী কোন দুর্নীতি করে না, ক্ষমতায় গেলে কাউকে দুর্নীতি করতেও দিবে না। গত ৫৪ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা যোগ্যতার সাথেই দুর্নীতি করেছে। কিন্তু জামায়েত ইসলামী ক্ষমতায় গেলে ইসলামিক আইন ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে। প্রতিটি আসনের উন্নয়ন বরাদ্দ শতভাগ জনগণের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।
মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) দুপুরে নীলফামারীর ডোমার আইডিয়াল একাডেমীর মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নীলফামারী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও নীলফামারী-০১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার এসব কথা বলেন।
ডোমার উপজেলা জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মো. সোহেল রানার সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন ডোমার উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আব্দুল হাকিম।
এসময় ডিমলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান, ডোমার উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রবিউল আলম, ডিমলা উপজেলা সেক্রেটারি কাজী রোকনুজ্জামান বকুল ও ডোমার উপজেলা কর্মপরিষদের সদস্য হাফেজ আব্দুল হক উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মনোনিত নীলফামারী-১ আসনের (এমপি) পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার আরো বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পায়নি। তবে এবার জনগণের মাঝে একটি সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীকে অন্তত একবার সুযোগ দিয়ে দেখা দরকার। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। প্রত্যেক সংসদীয় আসনের জন্য বরাদ্দ অর্থ শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
মিডিয়ার ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রের তৃতীয় স্তম্ভ হিসেবে আপনারা কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন না। আপনারা রাষ্ট্র ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবেন। এ জাতি যেন আর কোনোভাবে বিপর্যস্ত না হয়, সে বিষয়টি মাথায় রেখে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করতে হবে।”
এছাড়াও অনুষ্ঠানে ডোমার প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব ও ডোমার রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।