ফরিদপুর-৪ আসনে স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মুজাহিদ বেগের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা,সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরীর পেশী শক্তি ও কালো টাকার ব্যবহারে ধানের শীষ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ আসনে স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মুজাহিদ বেগের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা, দ্বিচারিতা, সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরীর ছায়া প্রার্থী হিসেবে পেশী শক্তি ও কালো টাকার ব্যবহার, বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা মামলার হুমকিসহ একাধিক অভিযোগ তুলে প্রেস ব্রীফিং করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম বাবুল।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা বিএনপি নির্বাচনী কার্যালয়ে এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম বাবুল দাবি করেন, নিক্সন চৌধুরী দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ বেগকে ‘ছায়া প্রার্থী’ হিসেবে ব্যবহার করছেন।

লিখিত সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম বাবুল অভিযোগ করেন, এ আসনে নিক্সন চৌধুরী একাধিকবার এমপি ছিলেন। তাঁর অনেক লোকও রয়েছেন। যাদের নিয়ে নির্বাচন বানচাল করার জন্য নিক্সন চৌধুরী একাধিকবার জুম মিটিং, গ্রুপ মিটিং করেছেন। তাঁর কাছে প্রচুর কালো টাকা রয়েছে। সেই কালো টাকা ব্যবহার করে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করছে ।কালো টাকারছরাছরি বন্ধে প্রশাসনের  কঠোর হচ্ছে দমন করার দাবি জানিয়েছে। ব্যাপারে তিনি নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন ।

ধানের শীষের সংসদ পদপ্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, নিক্সন চৌধুরীর সহযোগী নজরুল সহ কয়েকজনের সহযোগিতায় রাতের অন্ধকারে গাড়ি বহর নিয়ে এলাকায় কালো টাকা ছড়াচ্ছে মুজাহিদ বেগ। তাঁর ভাই পান্না বেগ ও সজিব বেগ প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। এতে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ বেগ তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন উল্লেখ করে বাবুল বলেন, এখানে তেমন কোন সহিংসতা হয়নি। সুপরিকল্পিতভাবে তারা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো- নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বানচাল করা এবং জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো।

এছাড়া মুজাহিদ বেগ ওই সংবাদ সম্মেলনে এবারের নির্বাচনকে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত করে ‘২৪ সালের ডামি নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, বিগত আন্দোলনগুলোর সময় নিক্সন চৌধুরী যেসব অপকর্ম করেছিল, এখনও মুজাহিদ বেগকে সহায়তা করে ঠিক সেই একই পথে হাঁটছেন। প্রতিদিন শত শত মানুষকে ফোন করে ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে, প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে। মহিলাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা দিয়ে ভোট চাওয়া হচ্ছে। এসব তথ্য ভিডিও সহ গণমাধ্যমেও এসেছে। যিনি নিজে আওয়ামী লীগের সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করছেন, তিনিই অন্যদের আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের অভিযোগ করছেন!

এসময় সদরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বদরুজ্জামান, চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বাদল আমিন, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম খন্দকার, জেলা কৃষকদের সেক্রেটারি মুরাদ হোসেন, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক মামুন অর রশীদ মামুন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}