ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের রসুল্লাবাদ গ্রামে অনার্স পড়ুয়া মোশাররফ হোসেন (২৫) নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যা চেষ্টার দুইদিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। গলায় ৪৮টি সেলাই নিয়ে গুরুতর আহত মোশারফ দু’দিন হাসপাতালে থেকে শনিবার (১৪ মার্চ) বাড়ি ফিরলেও, পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয়। এ ঘটনায় আহত মোশারফের পরিবারে ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় নবীনগর থানায় মামলা হয়েছে, মামলার নং- ৯.
মামলার বাদী মোশারফের মা কোহিনূর বেগম জানান- “তার ছেলে মোশারফ হোসেন ঢাকার নর্দান ইউনিভার্সিটিতে অনার্সে পড়ছে। ঈদের ছুটিতে সে গ্রামের বাড়িতে আসে। ঘটনার আগের দিন অর্থাৎ গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিবেশী নাজিম মিয়া (৩০) মোশারফের সঙ্গে দেখা করতে এসে গল্পগুজব করে। রাতে এ বাড়িতে (মোশারফ) রাত্রিযাপন করতে চায়। এতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ি থেকে চলে গেলেও সকালে সুযোগ বুঝে দরজা ভেঙে মোশারফের কক্ষে ঢুকে ঘুমন্ত মোশারফকে চাপাতি দিয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালায় নাজিম মিয়া। কিন্তু মোশারফের আর্তচিৎকারে ঘরের অন্যান্য লোকজন ছুটে এলে নাজিম দৌড়ে পালিয়ে যায়।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় মোশারফকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আহত মোশারফের বোন শাহিদা বেগম বলেন- “আমার ভাইয়ের গলায় মোট ৪৮টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। দুদিন হাসপাতালে থেকে আজ তাকে বাড়িতে আনা হলেও তার অবস্থা ভালো না।”
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন- “এ ঘটনায় মামলা নেওয়া হয়েছে। আসামি পলাতক। তবে তাকে গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে।”