ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজে নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অফিস সহায়ক রাজীব হোসেনকে (খণ্ডকালীন) বরখাস্ত করা হয়েছে।

অপর অভিযুক্ত কলেজের নৈশপ্রহরী (সরকারি কর্মচারী) শামীর মিয়ার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির নিকট চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক এটি এম রেজাউল করিম।

গতকাল (৩১/৩/২৬) সোমবার দৈনিক ভোরের দর্পণে “নবীনগর সরকারি কলেজে পাশ বাণিজ্যর অভিযোগ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষ ওই দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন।

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ টি এম রেজাউল করিম এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়- নবীনগর সরকারি কলেজে আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা যারা নির্বাচনী

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তাদের নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কলেজেরই একটি চক্র একাধিক পরীক্ষার্থীর নিকট থেকে জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেয়।

তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম খান বলেন- তদন্তের পর ঘটনার সত্যতা পেয়ে আজ ( ৩১/৩/২৬) অধ্যক্ষের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।

নবীনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ টি এম রেজাউল করিম বলেন-“তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় কলেজের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}