গাইবান্ধায় চলমান তীব্র জ্বালানি সংকটের প্রভাবে ঘুরছেনা সাংবাদিকদের মোটরসাইকেলের চাকা।

মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে সংবাদ সংগ্রহ কার্যক্রম। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহের দাবি সাংবাদিকদের।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের জন্য বিরাজ করছে চরম ভোগান্তি। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সংবাদকর্মীরাও মোটরসাইকেল নিয়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে অপেক্ষা করেও অনেক সময় তেল পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে, কিছু পাম্প কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের জন্য কোনো বিশেষ সুবিধা বা অগ্রাধিকার দিতে কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছেনা। এমনকি পেশাগত পরিচয়পত্র প্রদর্শনের পরও মিলছেনা জ্বালানি। অন্যান্য ক্রেতাদের সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে লাইনে দাঁড়িয়ে।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, এই পরিস্থিতিতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সংবাদ সংগ্রহ কার্যত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড বা জরুরি ঘটনার খবর সংগ্রহে দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। জ্বালানির অভাবে বিকল্প হিসেবে ভাড়ায় যানবাহন ব্যবহার করতে গিয়ে তিনগুণ পর্যন্ত বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে, যা অনেকের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তার বলেন, সাংবাদিকতা একটি জরুরি সেবা। যেকোনো ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে দ্রুত উপস্থিতি জরুরি। এ ক্ষেত্রে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে মোটরসাইকেল। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। সাংবাদিকদের জন্য কোনো অগ্রাধিকার না থাকায় বাস্তবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ ব্যাহত হচ্ছে।

সচেতন মহলের মতে, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের নিরবচ্ছিন্ন চলাচল অত্যন্ত জরুরি। পাম্পগুলোতে তাদের জন্য ন্যূনতম অগ্রাধিকার না থাকলে তা সাধারণ মানুষের তথ্য জানার অধিকারকেই ক্ষুণ্ন করবে।

সাংবাদিকদের দাবি, পরিচয়পত্র প্রদর্শনের ভিত্তিতে প্রতিটি পাম্পে সীমিত আকারে হলেও আলাদা বুথ এর মাধম্যে জ্বালানি সরবরাহ সেবা দ্রুত নিশ্চিত করা হোক। অন্যথায় মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}