কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর ডিগ্রী কলেজের ছাত্র তরিকুল ইসলাম ইমন হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে । সোমবার (৬ এপ্রিল) উপজেলা পরিষদের সামনে হোসেনপুর স্বর্ণ ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্থরের ছাত্র-জনতার আয়োজনে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন শেষে ইমন হত্যার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাসপাতাল চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য ও বিএনপি নেতা মাসুদ আলম,উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক বাক্কার,পৌর বিএনপির সভাপতি মো: শফিকুল ইসলাম,সাঃ সম্পাদক মানসুরুল হক রবিন,উপজেলা যুব দলের আহ্বায়ক মো: সাফায়াত হোসেন সম্রাট, সাবেক চেয়ারম্যান ও যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, মোঃ শফিকুল ইসলাম হিমেল,ইসলামী আন্দোলন হোসেনপুর শাখার আমির মাওঃ কারিমুলাহ,এসএম মিজানুর রহমান মামুন, পৌর ছাত্র দলের সদস্য সচিব রিমন মিয়া, হোসেনপুর বাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী নেতা মো: সিরাজুল ইসলাম, নিহত ইমনের পিতা মাসুদ মীর বোন তাহমিনা আক্তার তন্নী, চাচাতো বোন মারিয়া প্রমূখ।
উলেখ্য গত ১৬ মার্চ রাতে হোসেনপুর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পৌর সদরের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাসুদ মিরের একমাত্র ছেলে ও হোসেনপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি পরিক্ষার্থী মোঃ তরিকুল ইসলাম ইমন নিখোঁজ হন, পরদিন ১৭ মার্চ, হোসেনপুর সীমান্ত সংলগ্ন ময়মনসিংহ জেলায় গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদের খুরশিদ মহল সেতুর নীচে নদে তার জবাই করা মরদেহ পাওয়া যায়। পরে পাগলা থানার পুলিশ ও ভৈরব নৌপুলিশ ফাঁড়ির পুলিশের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পিতা মাসুদ মির হত্যা ও গুম করার অপরাধে পাগলা থানায় মামলা দায়ের করেন ৷ মামলায় একজন সন্দেহ ভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যার ২১ দিন পার হলেও এখনো এ হত্যাকান্ডের রহস্যর কোন সুরাহা না হওয়ায় প্রকৃত আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে রয়ে গেছে । মানববন্ধনে বক্তারা আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে ইমন হত্যার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন, অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে ৷