হাবিবুর রহমান (৯) কোটচাঁদপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার জন্য মা শিরিনা খাতুন (৩০) প্রতিদিন স্কুলে টিফিন নিয়ে যেতেন। সঙ্গে নিয়ে যেতেন মিম খাতুন ও হাসানের টিফিনও। তারাও একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

সোমবার দুপুরে মিমের টিফিন নিতে গিয়ে বাড়ির কেক ফ্যাক্টরির জেনারেটরের বেল্টে (ফিতা) আটকে গুরুতর আহত হন শিরিনা খাতুন। পরে তাকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শিরিনা খাতুন কোটচাঁদপুর বনবিভাগ পাড়ার রমজান আলীর স্ত্রী।

হাসানের পিতা মনির হোসেন জানান, শিরিনা খাতুন প্রতিদিন তার ছেলে হাসান, কেক ফ্যাক্টরির মালিক আব্দুস সালামের মেয়ে মিম এবং নিজের ছেলে হাবিবুর রহমানের জন্য টিফিন নিয়ে বিদ্যালয়ে যেতেন। সোমবার দুপুরে টিফিন নিতে গিয়ে কেক ফ্যাক্টরির জেনারেটরের বেল্টে তার কাপড় আটকে গেলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে কোটচাঁদপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রহিম মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ মর্গে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}