সিএমপি ‘র পাচঁলাইশ মডেল থানা’র অফিসার্স ইনচার্জ এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় এসআই(নিঃ)/বাহার মিয়া সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ স্পেশাল-৩২ ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন হামজারবাগ গাউছিয়া আবাসিক এলাকাস্থ যুগী পাড়ার সামনে একজন দূষ্কৃতিকারী পটকা বাজি ফুটানোর কারণে আশপাশের লোকজন দিক-বেদিক ছোটাছুটি করতেছে এবং ইহার ফলে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হইয়াছে। তখন বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিয়া এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে এসআই(নিঃ)/বাহার মিয়া বর্ণিত ঘটনাস্থলে পৌঁছাইলে জনৈক মোঃ তফিকুল ইসলাম প্রঃ ওয়াহিদুল ইসলাম প্রঃ অনিক (২৭) উক্ত ঘটনাটি সংঘটিত করিয়াছে মর্মে জানতে পারেন। অতঃপর এসআই(নিঃ)/বাহার মিয়া সংগীয় অফিসার-ফোর্স সহ ইং ০৯/০৪/২০২৬ তারিখ অনুমান ১৬:৩০ ঘটিকার সময় আসামী-মোঃ তফিকুল ইসলাম প্রঃ ওয়াহিদুল ইসলাম প্রঃ অনিক (২৭)’কে গ্রেফতার করে।
পরবর্তীতে ঘটনার বিষয়ে তাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সে এলাকায় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে তাহার হেফাজতে থাকা দেশীয় তৈরী একনলা বন্দুক দ্বারা বেশ কয়েকটি ফাঁকা ফায়ার করে বলিয়া জানায়। তাহাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন হামজারবাগ যুগীপাড়াস্থ করিম মিস্ত্রির বাড়ীর পিছনে আলী আহমেদ এর পুকুরের পূর্ব পাশে পরিত্যক্ত স্থানে বর্ণিত ফায়ারকৃত একনলা বন্দুকটি ও ০২টি তাজা কার্তুজ লুকাইয়া রাখিয়াছে বলিয়া স্বীকার করে।
পরবর্তীতে তাহার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ০৯ এপ্রিল ০৫:০৫ মিনিটের সময় গ্রেফতারকৃত আসামীর লুকিয়ে রাখা স্থান হইতে তাহার দেখানো ও নিজ হাতে বাহির করিয়া দেওয়া মতে (ক) কালো স্কচটেপ মোড়ানো কাঠের বাটযুক্ত ০১টি দেশীয় তৈরী একনলা বন্দুক, (খ) ০২টি ১২ বোর কাতুর্জ উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ মডেল থানার মামলা নং-১০, তারিখ: ০৯/০৪/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-19A Of The Arms Act, 1878 রুজু পূর্বক যথাযথ পুলিশ পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।