ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-রাধিকা সড়ক এখন স্থানীয়দের কাছে আতঙ্কের আরেক নাম। দিন হোক কিংবা গভীর রাত—এই সড়কে চলাচল মানেই যেন মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে পথচলা।২০২৫ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত মাত্র ১৭ মাসে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৬৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, বেপরোয়া গতি, অবৈধ পার্কিং, সড়কের পাশে বালুর স্তূপ এবং অদক্ষ চালকদের কারণেই দিন দিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে সড়কটি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সড়কের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে বালু ব্যবসার সিন্ডিকেট। অনেক স্থানে সড়কের পাশে বালু ফেলে রাখায় চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

এছাড়া রাতের বেলায় পর্যাপ্ত সড়কবাতি না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের কিছু এলাকায় ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনাও ঘটে থাকে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, সড়কের দুই পাশে থাকা বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার সামনে নেই কোনো কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নেই স্পিড ব্রেকার কিংবা সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রাস্তা পারাপার করছে শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, “হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী স্পিড ব্রেকারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।”

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}