দাছিজুল হক আনিছ এলাকার একজন নিবেদিত প্রাণ এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম, এক অবিসংবাদিত পথিকৃৎ। বিশেষ করে সমাজসেবামুলক কর্মকাণ্ডে দাছিজুল হক আনিছ নামটি এখন সর্বজনবিদিত। চেষ্টা, সাধনা আর অধ্যবসায়ের এক অভূতপূর্ব সমন্বয় এবং জন্মগত প্রতিভা, কর্মদক্ষতা আর মানসিক দৃঢ়তায় আলোকিত তার বিশাল কর্মযজ্ঞ।

দাছিজুল হক আনিছ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নে অবস্থিত এলিকো এগ্রোভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে
শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

এক সাক্ষাতকারে দাছিজুল হক আনিছ জানান, শান্তিরাম ইউনিয়ন একটি অবহেলিত উন্নয়ন বঞ্চিত এলাকা। উপজেলার অন্যান্য উন্নত এলাকার তুলনায় এই এলাকার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও বেশ অনুন্নত। বর্ষাকালে অধিকাংশ কাঁচা রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে, যা পণ্য পরিবহন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করে। এই এলাকায় কৃষিভিত্তিক কোন শিল্প-কারখানা না থাকায় মানুষের আয়ের উৎস সীমিত। অধিক সংখ্যক মানুষ দিনমজুর বা প্রান্তিক কৃষক হওয়ায় সামগ্রিক ক্রয়ক্ষমতা কম, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে দুর্বল করে রাখে। অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় শিক্ষার হার কিছুটা কম এবং আধুনিক শিক্ষার প্রসারে ঘাটতি রয়েছে। এর ফলে দক্ষতাভিত্তিক জনশক্তি গড়ে উঠছে না এবং সামাজিক উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত হওয়ায় দিন দিন বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ সব সমস্যা থেকে ইউনিয়নবাসীকে উত্তোরণে এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার, বেকারত্ব দূরীকরণ ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। স্থানীয় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জরুরি প্রয়োজনে সবসময় পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার যুবসমাজকে সমাজগঠনমূলক কাজে উদ্ধুদ্ধ করার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি আরও জানান, “এলিকো এগ্রোভেট লিমিটেড এই এলাকার একটি প্রতিষ্ঠান, এর মাধ্যমে স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভূমিকা পালন করছেন।

এই এলাকায় শিল্পকারখানা গড়ে তুলে বিভিন্ন বিনিয়োগের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবেন। তার প্রতিষ্ঠিত শিল্পকারখানার পরিসর বাড়িয়ে বেকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। ৫ হাজার উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে যুবক-যুবতীদের জন্য বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে আদর্শ ক্যাটল ও মৎস্য খামার গড়ে তুলতে সহায়তা দিবেন। ইতোমধ্যেই এই কারখানা থেকে গত তিন বছরে এই এলাকার ১৯৩ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন। পাশাপাশি সারাবছরব্যাপী ৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার কৃমিনাশক, ভিটামিন-মিনারেলস ও ভ্যাকসিন সরবরাহের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দাছিজুল হক আনিছ জানান,
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করা হলে তিনি শান্তিরাম ইউনিয়নকে একটি দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করবেন। জনগণের দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। সবার সহযোগীতায় সমাজ থেকে মাদক, বাল্যবিবাহ ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দূর করতে যুবসমাজকে খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করবেন।এলাকার অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।

এলাকাবাসীর মতে, দাছিজুল হক আনিছ শুধু একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি নন, বরং একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক। এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে তিনি সবসময় পাশে দাঁড়ান। তার এই নিঃস্বার্থ জনসেবামূলক কার্যক্রম শান্তিরাম ইউনিয়ন তথা সুন্দরগঞ্জের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। ভবিষ্যতে তার এই মানবিক ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের প্রত্যাশা দাছিজুল হক আনিছ একজন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি। তাকে আসন্ন নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করা হলে ইউনিয়নের সার্বিক চিত্র পাল্টে যাবে।

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, নিরপেক্ষ বিচার, সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার এবং তৃণমূল পর্যায়ে আইনের শাসন ও নাগরিক সুবিধার অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হবে। তারা মনে করেন, শুধু কীর্তির মহিমায় নয়, আন্তরিকতার দিপ্ততায়, চেতনার বহ্নিমানতায়, সৃষ্টির উদ্যমতায় এক অফুরন্ত অনুপ্রেরণার নাম দাছিজুল হক আনিছ। তারা কামনা করেন তার পুনঃ পুনঃ সফলতা।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}