(কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ড.রফিকুল ইসলাম হিলালী এর উদ্যোগে আয়োজিত “চন্দ্র কুমার দে বুক রিভিউ প্রতিযোগিতা-২৬”-এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের বইপড়া ও সাহিত্যচর্চায় উৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজন ব্যাপক সাড়া ফেলেছে কেন্দুয়া ও আটপাড়া অঞ্চলে।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া ও আটপাড়া উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা এবং বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
অংশগ্রহণকারীদের যেকোনো বাংলা বইয়ের ওপর সর্বোচ্চ দুই হাজার শব্দের মধ্যে রিভিউ লিখে জমা দিতে বলা হয়েছিল। গত ২৮ এপ্রিল ছিল লেখা জমা দেওয়ার শেষ সময়।
প্রতিযোগিতায় মোট ১৫৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। বিভিন্ন বই নিয়ে জমা পড়া মানসম্মত রিভিউ থেকে সেরা ১০ জনকে নির্বাচন করতে বিচারকমণ্ডলীকে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। জুরি বোর্ডের মূল্যায়নের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
নির্বাচিত সেরা ১০ বিজয়ী ওয়াসিমুল বারি শাইক, আনন্দ মোহন কলেজ। খান শাহরিয়ার ফয়সাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বুলবুল আহমেদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। মো: দিলোয়ার হোসেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। মো: সোহেল রানা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। মো: তাহরিম কবির রিয়াদ, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। মো: হাসান মিয়া, সরকারি তিতুমীর কলেজ। মোহাম্মদ সুমন, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ। সিদরাতুল মুনতাহা শ্রেয়সী, কেন্দুয়া সরকারি কলেজ। হৃদয় কিশোর সৌরভ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিজয়ী প্রত্যেককে বই, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হবে। ঈদুলের পূর্বেই কেন্দুয়ায় আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
রোববার (১৭ মে) এক অভিনন্দন বার্তায় সংসদ সদস্য ড.রফিকুল ইসলাম হিলালী জানান, “চন্দ্র কুমার দে বুক রিভিউ প্রতিযোগিতা-২০২৬” উপলক্ষে কেন্দুয়া-আটপাড়া সংসদীয় আসন থেকে অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ ও বুক রিভিউ আমরা পেয়েছি। আপনাদের এই অভূতপূর্ব সাড়া আমাদের অত্যন্ত আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত করেছে। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকেই অসাধারণ লিখেছেন। এত বিপুল সংখ্যক মানসম্মত বুক রিভিউ থেকে সেরা ১০ জনকে নির্বাচন করা সম্মানিত বিচারকমণ্ডলীর জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ।
যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের আন্তরিক অভিনন্দন। আর যারা এবার বিজয়ী হতে পারেননি, তাদের জন্যও রইল অফুরন্ত শুভকামনা। ভবিষ্যতে আমাদের আরও এমন সৃজনশীল প্রতিযোগিতার আয়োজন অব্যাহত থাকবে। আপনারা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করবেন। এই প্রত্যাশা রইলো। ঈদের পূর্বেই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।