চট্টগ্রামে শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সেতুর পিলার থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ককে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রাম। বুধবার (২০ মে) দুপুরে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ এসব তথ্য জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগর বিএনপির নেতাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ও দিকনির্দেশনামূলক ভূমিকা পালন করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম ডা. শাহাদাত হোসেনের অনুসারী ছিলেন। এ ছাড়া তাঁর তিন অনুসারী আহত জুলাইযোদ্ধাদের তালিকায় রয়েছেন। পেশাজীবি পরিষদের নেতারা বলেন, গত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি মামলা, হামলা ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন ডা. শাহাদাত হোসেন।

তারা বলেন, জুলাই-আগস্টের চেতনার বিরুদ্ধে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। গত ৩ আগস্ট তাঁর নিজের বাড়িতেও আগুন ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কেউ গ্রাফিতি আঁকতে চাইলে আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে শৈল্পিক ও মানসম্মত গ্রাফিতি অঙ্কনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগে ব্যক্তিগতভাবে কিংবা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে অর্থায়নের আশ্বাসও দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ ‘ফ্যাসিবাদের কবল’ থেকে মুক্ত হয়েছে। তাই এ আন্দোলনকে ঘিরে বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান নেতারা। বিবৃতিদাতারা হলেন, বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রামের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি, সদস্য সচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ ও ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) এর সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জানে আলম সেলিম।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}