গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মিথ্যা বলে দাবি করেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এসএম আবু মোতালেব। স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এই ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা ঘুরে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সরকারি নিয়ম-নীতি ও প্রাক্কলন (Estimate) অনুযায়ী সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। সড়কটি নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অনিয়ম বা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এসএম আবু মোতালেব নিয়মিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করছেন। প্রতিটি ধাপে কাজের স্বচ্ছতা বজায় থাকায় স্থানীয় সচেতন জনগণ এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ফুলছড়ি এলাকায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল সরকারি বরাদ্দের কাজে নানাভাবে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে আসছে। “উল্লেখ্য যে, বিগত ১৭ বছরে টিআর, কাবিখা, কাবিটাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজগুলো অদৃশ্যমান থাকলেও, বর্তমান সময়ে তা দৃশ্যমান হচ্ছে। যা এলাকার জন্য এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এবং উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।” পিআইও এসএম আবু মোতালেব নিয়মমাফিক কাজ আদায় করায় এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায়, এই মহলটি তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক তথ্য দিয়ে সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এসএম আবু মোতালেব জানান, “ফুলছড়ির উন্নয়নে সরকার যে বরাদ্দ দিয়েছে, তা যথাযথ নিয়মে বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি। একটি মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার ও অফিসের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও কাল্পনিক অভিযোগ তৈরি করছে, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।”
ফুলছড়ির সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও স্থানীয় প্রকল্পগুলোর হালনাগাদ তথ্য জানতে আপনারা গাইবান্ধা জেলা সরকারি পোর্টাল ভিজিট করতে পারেন। এলাকাবাসী এই ধরনের মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং উন্নয়নের স্বার্থে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।