জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠন ‘উত্তরণ-১ পরিবার’-এর ২০২৬ সালের জন্য আংশিক কমিটি ও উপদেষ্টা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অনুমোদিত আংশিক কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নূর হোসেন। সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মো. সৈকত হোসেন স্বপন, জান্নাতুল ফেরদৌস রিয়া ও আশরাফুন নেছা তামান্না। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কামরুল হাসান রিয়াজ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. সাইম আহমেদ শাওন, আনভি ইসলাম মিম ও আসাদুজ্জামান সাদ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুমোদিত আংশিক কমিটিকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সংগঠনটির উপদেষ্টা হিসেবে মো. মেহেদী হাসান (কাওছার)-কে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি বাস কমিটি ও সার্বিক শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে পরিবহন প্রশাসক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। কমিটি ও উপদেষ্টা অনুমোদনপত্রে স্বাক্ষর করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক, জবসুর পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাদমান আমিন সাম্য।
নবনিযুক্ত উপদেষ্টা মেহেদী হাসান কাওছার বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আবাসিক হল না থাকায় শিক্ষার্থীদের কাছে বাস একটি আবেগের জায়গা। মিরপুর থেকে প্রতিদিন যানজট পেরিয়ে ক্যাম্পাসে যাতায়াতে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। ফলে বাসকেন্দ্রিক সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে এক ধরনের পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উত্তরণে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান করাই আমাদের প্রথম কাজ হবে। নতুন কমিটির সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।” নবনিযুক্ত সভাপতি নূর হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না থাকায় উত্তরণ বাসে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় বাস সংশ্লিষ্ট সকল সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেব।”
সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান রিয়াজ বলেন, “উত্তরণ পরিবারের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে উত্তরণ পরিবারের জন্য জরুরি বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রাক্তন ভাই-আপুদের পরামর্শ ও দোয়া সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতকারী সকল জবিয়ানদের স্বার্থে কাজ করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।” সংগঠনটির বাকি নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত কমিটি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এবং পরিবহন-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে