চাঁদপুরের কচুয়ায় আড়াই বছরের এক শিশু কন্যাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে ২ মাস ১৪ দিন পর ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে কচুয়া পৌরসভাধীন করইশ গ্রামের মৃধা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মামলা সূত্রে জানা যায়, করইশ মৃধা বাড়ির আমিন হোসেনের প্রথম স্ত্রী চলে যাওয়ার পর ২০২২ সালের ২ এপ্রিল দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে শারমিন আক্রার কে বিয়ে করেন। তারা ঘর সংসার করার একপর্যায়ে শারমিন শেফায়েত উল্যা ওরফে তানভীর নামক এক ব্যক্তির সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে।

পরকীয়া প্রেমিকের যোগসাজশে শারমিন গত ২৪ মার্চ রাত ২ টার দিকে মুখে কম্বল চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে ফাহমিদাকে হত্যা করে। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। বিচারের দাবিতে আমিন হোসেন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ায়। প্রায় একমাস যাবত এলাকার সর্দার মাতাব্বররা এই ঘটনার কোন সুরহা করতে না পারায় একমাস পর আমিন চাঁদপুরের বিজ্ঞ আমলী আদালতে (কচুয়া) নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং: পি.আর -/২০২৬ইং।

বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে চাঁদপুরের পিবিআই এর নিকট হস্তান্তর করেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শিশু কন্যা ফাহমিদা আক্তারের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুরে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহত ফাহমিদার জেঠা শফিকুল ইসলাম জানান, ফাহমিদা রাত প্রায় সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত আমাদের সাথে খেলাধুলা করেন। এরপর স¤পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়েন। এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকান্ড। আমি ফাহমিদার খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

লাশ কবর থেকে উত্তোলনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন, কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবু নাছির ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক এমারত হোসেন ও সঙ্গীয় ফোর্স।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}