ফরিদপুর-৪ আসনের সর্বস্তরের মানুষের ভাগ্যবদল এবং এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণওবিভিন্ন উন্নয়নের দৃষ্টান্ত স্থাপনের জোরপ্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। সাংসদের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও ক্লান্তিহীন পরিশ্রমে অবহেলিত ও প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদ উন্নয়নের মহাসড়কে। রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট নির্মাণ থেকে শুরু করে অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে আপসহীনতায় ভূমিকা রাখছে।

​নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বদলে দিতেএবংকৃষি বিপ্লবে খাল খননে সফল ভোগ করছে ।
​এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে অসংখ্য নতুন ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাথে শহরের যোগাযোগ এখন অনেকটাই সহজ ও গতিশীল।
​সরকারি অনুদানের সঠিক বণ্টন: সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ও উন্নয়ন তহবিলের অনুদান শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তাঁর বিশেষ বরাদ্দ সর্বস্তরের মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে।
​অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’বাস্তবায়নে
​ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যুবসমাজকে রক্ষা করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন সাংসদ শহিদুল ইসলাম বাবুল।

​মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে তিনি মাদক ব্যবসায়ী এবং উঠতি ‘কিশোর গ্যাং’-এর বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি ঘোষণাওযুব সমাজদের মাদক মুক্ত রাখতে বিভিন্ন বৃত্তবান বিএনপির কর্মীরা বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা আয়োজন দেখাগেছে। তাঁর কঠোর নির্দেশনায় প্রশাসন ও স্থানীয় জনতা একজোট হয়ে কাজ করছে।
​দাঙ্গাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: ফরিদপুরের কিছু অঞ্চলে ঐতিহ্যগতভাবে চলে আসা দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও স্থানীয় বিরোধের সংস্কৃতি বন্ধে তিনি অত্যন্ত শক্ত ভূমিকা পালনে সাংসদের বিড়ল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। দাঙ্গাবাজ ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনার ফলে এলাকায় শান্তি ফিরে এসেছে।

শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ​”আমি ফরিদপুর-৪ আসনকে একটি আধুনিক, উন্নত এবং নিরাপদ মডেল জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কোনো অপরাধী বা দাঙ্গাবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
শহিদুল ইসলাম বাবুলের ​আগামী দিনের মহাপরিকল্পনা: মেগা প্রজেক্টের প্রস্তুতি
​বর্তমান উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে এবং ফরিদপুর অঞ্চলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আগামী দিনের জন্য এক বিশাল মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন এই জননেতা।
​এলাকার অর্থনৈতিক চিত্র বদলে দিতে তিনি ফরিদপুর অঞ্চলে বেশ কিছু বিশাল বড় বড় প্রজেক্ট ও মেগা উন্নয়ন প্রকল্প গঠনের রূপরেখা তৈরি করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, শিল্পায়ন ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প। এসব প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হলে ফরিদপুর-৪ আসন পুরো বিভাগের মধ্যে অন্যতম শীর্ষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

​জনমনে স্বস্তি ও সাধুবাদ
​এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাঁর এই অগ্রণী ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। শহিদুল ইসলাম বাবুলের মতো একজন কর্মঠ ও সৎ জনপ্রতিনিধি পাওয়ায় ফরিদপুর-৪ আসনের ভবিষ্যৎ এখন অত্যন্ত উজ্জ্বল।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}