শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের সভাপতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অনুপ্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন, গ্রেপ্তারের দাবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:   |   মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের সভাপতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অনুপ্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন, গ্রেপ্তারের দাবি
২৩

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের আমন্ত্রিত মেহমানদের স্থানে চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের সভাপতি ‘ মদ,নারী ও ইয়াবা সাপ্লাইয়ার বেকারী কামাল’ ওরফে কামাল হোসেনের উপস্থিতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় রাজনৈতিক অঙ্গন ও গণমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

গণঅভ্যুত্থানের পর পতিত স্বৈরাচার সরকারের দোসর ও বিতর্কিত এক রাজনৈতিক কর্মী কীভাবে রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রবেশের সুযোগ পেলেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম নগর সৈনিক লীগের সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন গত ৭ বছর। এই কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগরীতে মদ, জুয়া, নারী ব্যবসাসহ ও মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকার হাজারো প্রমাণিত অভিযোগ রয়েছে। বিগত সরকারের আমলে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি এসব অপকর্ম পরিচালনা করতেন বলে জানা যায়।

ছদ্মবেশ ও ভুয়া পরিচয়ের অভিযোগ:
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর চট্টগ্রাম থেকে গা-ঢাকা দেন বেকারী কামাল। অভিযোগ উঠেছে, গত কয়েক মাস ধরে তিনি ঢাকায় অবস্থান নিয়ে নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত শুরু করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে:

সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার: ঢাকার বিভিন্ন কালো ও হলুদ সাংবাদিক চক্রের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে তিনি জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করেন।

দলীয় কর্মসূচীতে অনুপ্রবেশ: নিজেকে সাংবাদিক দাবি করে পরিচয় গোপন রেখে তিনি বিএনপির বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশ নেওয়ার কৌশল নেন।

মেহমান সালায় প্রবেশ: অসাধু চক্রের যোগসাজশ ও ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রিত মেহমানদের স্থানে প্রবেশের সুযোগ বাগিয়ে নেন।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও কঠোর শাস্তির দাবি:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল ও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের মতো অত্যন্ত সংরক্ষিত ও স্পর্শকাতর স্থানে চিহ্নিত কোনো অপরাধী ও পতিত স্বৈরাচারের দোসর প্রবেশ করা বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে।

এই পরিস্থিতিতে সচেতন সমাজ ও সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে জোর দাবি জানানো হয়েছে:
১. তদন্ত কমিটি গঠন: কার বা কাদের প্ররোচনায় ও সহায়তায় বেকারী কামাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মেহমান সালায় প্রবেশাধিকার পেলেন, তা অবিলম্বে খতিয়ে দেখতে হবে।
২.সহযোগীদের চিহ্নিতকরণ: পরিচয় গোপন রাখতে এবং রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তাকে ঢোকানোর পেছনে যেসব প্রভাবশালী ব্যক্তি বা অসাধু চক্র কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে ৩. দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার: একাধিক অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযুক্ত বেকারী কামালকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

রাষ্ট্রীয় স্পর্শকাতর স্থান সমূহে এই ধরণের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিরাপত্তা প্রটোকল আরও কঠোর করার আহ্বান জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।

 

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com