এস এম নওশের: | রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৭৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ইশা খাঁর এক রাজত্ব ছিল বেশ বড়।সোনার গা থেকে ময়মন্সিং এর ভাটি অঞ্চল পুরোটাই।কিশোরগঞ্জ শহরের খুব কাছেই ছিল তার জংগলবাড়ি দুর্গ।এখন সেটা অনেক টাই কালের স্রোতে ক্ষয় প্রাপ্ত।এখানে যারা বাস করছেন তারা নিজেদের ইশা খাঁর বংশ ধর দাবি করছেন।এর পাশেই রয়েছে ইশা খাঁ মসজিদ।

এখানে নামাজ আদায় হয়।এর পাশে আছে কিছু কবর।যদিও ফলক নেই।তাই বুঝা যায়নি কার কবর এগুলা।মসজিদের সামনেই বিশাল দিঘী।দিঘীর পাড়েও নাম না জানা কবর আছে কিছু।সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ বেড়াতে গিয়ে দেখে এলাম এই জংগল বাড়ি দুর্গ।আশার কথা এটা সংস্কার করা হচ্ছে সরকারি উদ্যোগে।

ইতিহাস ঘেটে যা জানা যায় এই দুর্গ ইশা খাঁর আমলে নির্মিত নয়।কোচ রাজা লক্ষন হাজরা কে হারিয়ে তিনি এটা দখল করেন।এখানে সম্ভবত যাদুঘর হবে।তাই সংস্কার হচ্ছে।আমি আশ পাশ ঘুরে ঘুরে দেখছি হঠাত লক্ষ্য করলাম আমাকে বহন কারি গাড়ির ড্রাইভারের হাতে একটা লেমিনেট করা কাগজ
এটা ইশাখার বংশ লতিকা।
কই পাইলেন এটা?
সে ইশারায় দেখালো দিঘীর পাড়ে গাছের নিচে বসে থাকা একটা ৮/৯ বছরের বাচ্চা ছেলেকে।সে একটা খাতা, একটা বই এরকম একটা লেমিনেটেড কাগজ আর কিছু ছবি নিয়ে বসে আছে।গেলাম সেদিকে। সে বলল এটা আমাদের বংশ লতিকা
জিজ্ঞেস করলাম।তুমি কত তম বংশ ধর?
সে বলল ১৬ তম।নাম জানতে চাইলাম
বলল দিওয়ান ইকরাম দাদ খাঁ
কৌতুক করে বললাম এই তালিকায় তো তোমার নাম দেখিনা।বলে এটায় পনেরো তম বংশ ধর পর্যন্ত করা।১৫ নম্বর সারিতে তার বাবার নাম দেখালো।সামনে তার নাম ও ওঠবে জানালো।
আমি তাকে পরীক্ষা করতে বললাম ইশা খা কি ইংরেজ দের সাথে যুদ্ধ করেছে??
না না। মোঘলদের সাথে।প্রতিবাদ করল।
তার সাথে ছবি নিলাম।সে আমাকে ভিজিটর খাতায় নাম লেখালো।তার সাথে ছবি নিলাম।সে আমাকে তার বাড়ি থেকে ইশা খার ব্যবহৃত দুটো পাত্র এনে দেখালো।একটা ধাতব সম্ভবত পেতলের।আরেকটা পোর্সালিনের।
আমার মনে হল এখানে আরো অনেক কিছু ছিল যা কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে।ফেরার সময় ওর থেকে ইশা খার উপরে লেখা ঐতিহাসিক একটা বই কিনে নিয়ে এলাম।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com