শফিকুল ইসলাম বাদল | সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট | ৯১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কৃষক/ কৃষাণীরা। মাথায় ছাতা নিয়ে ধান নাড়ছেন অনেক কৃষাণী। কৃষকরা জমি থেকে ধান এনে খলায় স্তুপ করে রাখছেন। আধুনিক পদ্ধতিতে ধান মাড়াই ও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কৃষকের ঘরে ধান উঠানোর নয়নাভিরাম কর্মযজ্ঞ। অনেক কৃষক ঘরে থাকা গবাদি পশুর জন্য খড়ও শুকিয়ে রাখছেন। ধান ও খড় শুকাতে খলায় (ক্ষেতে ধান শুকানোর স্থান) কৃষক পরিবারের সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম করার দৃশ্য চোখে পড়ে। সরেজমিনে শিবপুর, কনিকাড়া, মনিপুর ,বগডহর, আলমনগর, লাপাং প্রভৃতি গ্রাম গুলো ঘুরে দেখা যায় খলায় ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক /কৃষাণীরা। কৃষকরা নিজে /শ্রমিক দিয়ে কোন কোন স্থানে হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ও ধান কাটা হচ্ছে। শুকানোর জন্য সকালে জমি থেকে ধান কেটে খলাতে আনছেন।
সারা রাত ধান সিদ্ধের করে সকালে খলায় ছড়ানো হচ্ছে সে ধান। কথা হয় কনিকাড়া এলাকার কৃষক হান্নানের সাথে তিনি জানান – “এ বছর ধানের ফলন ভাল হয়েছে। যে কোনো সময় বৃষ্টি আসতে পারে, তাই যত দ্রুত সম্ভব ধান শুকিয়ে ঘরে তুলতে চাই। এ রকম রৌদ্র নাও থাকতে পারে”। ওয়ারুকের কৃষক আনোয়ার হোসেন, মন মিয়া তারা বলেন – ” জমিতে ধান কাটা ছাড়া বাকি কাজ গুলো পরিবারের সদস্যরা মিলে করে থাকি”। উপজেলা কৃষি অফিস মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানায় – “এ বছর বোরো চাষের আশানুরুপ ফলন পাবেন কৃষকরা। নতুন বিভিন্ন জাতের ধান চাষের সফলতাও দেখা যাচ্ছে। এ পর্যন্ত ৬৫-৭০% শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। আর কয়েক দিন এমন আবহাওয়া থাকলে কৃষক ভাল ভাবেই ধান ঘড়ে তুলতে পারবে”।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com