শফিকুল ইসলাম বাদল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি) | শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | ৭৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার লাউর-ফতেহপুর ইউনিয়নের বাড়িখলা গ্রামে প্রকাশ্যে চলছে অবৈধ পুকুর খনন ও ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলন। প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও ক্ষোভ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষিজমি থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে মাটি কেটে বসতবাড়ি ও বিভিন্ন গর্ত ভরাট করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ফসলি জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে আশপাশের জমিগুলো ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক নায়েবকে প্রভাবিত করে বাড়িখলা গ্রামের সুমন মিয়া, মিজানুর রহমান ও মাজেদুল ইসলাম মাজেদ প্রকাশ্যেই এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
যেসব জমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে, সেগুলোর মালিক একই এলাকার বাসিন্দা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিজমির উপরের উর্বর স্তর বা টপ সয়েল অপসারণ করা হলে জমির উৎপাদনক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইতোমধ্যে ওই এলাকার বেশ কিছু জমিতে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। সেচ প্রকল্পের মালিক বাবুল সরকারসহ কয়েকজন কৃষক বলেন, “এভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এলাকার বড় অংশ চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।” তারা আরও জানান, কৃষি আইনে এ ধরনের কার্যক্রম দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও একটি প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনের তোয়াক্কা না করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় পরিবেশ রক্ষা ও কৃষিজমি সংরক্ষণের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com