মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম): | শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। মুখস্থ ও চাকরিনির্ভর পড়াশোনা থেকে বেরিয়ে এসে বুদ্ধিদীপ্ত, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করতে হবে।
বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ। আগামীর বাংলাদেশ হবে তারুণ্যের দক্ষতানির্ভর বাংলাদেশ, যেখানে তরুণরা তাদের মেধা ও দক্ষতা দিয়ে রাষ্ট্রকে নিয়ে যাবে এক অনন্য উচ্চতায়। তরুণদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে স্বপ্নের বাংলাদেশ। তাই আগামী সরকারকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায়। প্রণোদনা বাড়াতে হবে গবেষণা খাতে। আগামীর বাংলাদেশের সমাজ হতে হবে পুরোপুরি জ্ঞানভিত্তিক ও তথ্যভিত্তিক।
কথা হলো, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হবে জাতির কাঠামো আর বাজেট হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণশক্তি। অর্থাৎ বাজেট ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আত্মাহীন দেহের মতো। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বলা হয় উচ্চশিক্ষার সূতিকাগার এবং মেধাবীদের মিলন মেলা। এখানে গবেষণা ও নতুন নতুন আবিষ্কার হবে। কিন্তু আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে বাজেট বরাদ্দ থাকে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
বিশ্ববিদ্যালয়ে বাজেট বরাদ্দ কোনো খরচ নয়, বরং বিশাল বিনিয়োগ হিসেবে কাজ করে। যেসব দেশ এটি বুঝতে পেরেছে, সেসব দেশ বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই আসবে ভবিষ্যতের নেতৃত্ব, যারা তাদের সৃজনশীল চিন্তা, মেধা ও বুদ্ধি দিয়ে টেকসই উন্নয়ন অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, স্মার্ট ক্লাসরুম ও ল্যাব স্থাপন, আধুনিক লাইব্রেরি স্থাপন, উন্নত আবাসনব্যবস্থা, পর্যাপ্ত বেতন-ভাতা, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়ে মানসম্পন্ন গবেষণা এবং গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ থাকা একান্ত জরুরি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে, তারা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে-এমনটাই আমরা প্রত্যাশা করি।
আমরা আশা করি, প্রত্যেকে তার উদ্ভাবনী শক্তি ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশ গঠনে অবদান রাখবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে তারুণ্যের প্রতিভা ও কর্মে উদ্ভাসিত।
লেখক:
মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম)
বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (অধ্যয়নরত)
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com