মোহাম্মাদ উল্লাহ সোহেল ইউরোপ ব্যুারো প্রধান | শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | ৪৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর নিয়ে আসা আনন্দ আর ভ্রাতৃত্বের বার্তা ইতালির ভেনিসসহ সারা বিশ্বের প্রবাসী মুসলমানদের জীবনে এক পশলা প্রশান্তি নিয়ে আসে। সেই উৎসবের আমেজ আর আধ্যাত্মিকতার চিত্রটি ফুটে উঠেছে।
ইউরোপের তথা, ইতালি , ভেনিস, রোম বা মিলানোর মতো বড় শহরগুলোতে ঈদের দিনটি খুবই উৎসবমুখর হয়। ইতালিতে বড় কোনো খোলা মাঠ বা সেন্ট্রাল মসজিদের অভাব থাকলে অনেক সময় স্থানীয় কমিউনিটি হল, পার্ক বা বড় অডিটোরিয়ামে কয়েক দফায় ঈদের জামাত আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে ভেনিসের মেস্ত্রে (Mestre) বা মারঘেরা (Marghera) এলাকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের বড় জমায়েত দেখা যায়।
ঈদের খুতবা ও মোনাজাতে বর্তমান বিশ্বের অস্থিরতা, যুদ্ধবিগ্রহ এবং মানবিক সংকটের অবসানে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের জন্য দোয়া করা হয় প্রতিটি জামাতে।
নামাজের পর কোলাকুলি আর কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতেও এক টুকরো বাংলাদেশ গড়ে ওঠে। নতুন পাঞ্জাবি আর সুগন্ধি মেখে যখন সবাই সমবেত হন, তখন মনেই হয় না দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে আছেন। ইতালির স্থানীয় প্রশাসন অনেক ক্ষেত্রে এই জামাত আয়োজনে বেশ সহযোগিতা করে, যা দেশটিতে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক চমৎকার উদাহরণ।
বিদেশের ব্যস্ত জীবনে এই একটি দিন সবাই সব ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে দাঁড়ায়। ভেনিসের সান জুলিয়ানো পার্ক বা রোমের চত্বরে যখন “ঈদ মোবারক” ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়, তখন তা কেবল একটি উৎসব থাকে না, বরং একাত্মতার এক বিশাল শক্তিতে পরিণত হয়।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com