মনিরুজ্জামান তুহিন | বুধবার, ২৮ মে ২০২৫ | প্রিন্ট | ২৮৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জিয়া পরিষদ কর্মকর্তা ইউনিটের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলানায়তনের করিডোরে আলোচনা সভা শেষে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। জিয়া পরিষদের সভাপতি মোহা. আলাউদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, প্রধান আলোচক হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওবায়দুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান সহ বিএনপি পন্থী বিভিন্ন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কামচারী ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের মতো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উন্নত বিশ্বের সাথে সম্পর্ক গড়েছিলেন যার জন্য তাকে জীবন দিতে হয়েছে। খালেদা জিয়ার সম্পর্ক ছিল ইউরোপ, চীনসহ উন্নত দেশগুলোর সাথে এজন্য তাকে এক এগারোর মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে মানুষ ভালোবাসতেন। তার স্বাধীনতার ঘোষণায় সমগ্র দেশের মানুষ একত্রিত হয়েছিল। দেশের উন্নয়নের জন্য গার্মেন্টস সেক্টর ও বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ প্রথম জিয়াউর রহমান সৃষ্টি করেন। তাই জিয়াউর রহমানের অবদান ভোলার নয়।
” উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “শহীদ জিয়াউর রহমান যখন বাংলাদেশকে একটি অগ্রসর জাতির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখনই তিনি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কাছে হত্যার শিকার হোন। জিয়া ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা। একজন মানুষ দেশপ্রেমের প্রমাণ দিতে পারে যুদ্ধে গিয়ে যেটা তিনি করেছেন। তিনি সবুজ বিল্পব করেছিলেন জনমানুষের অর্থনৈতিক চিন্তা করে। তিনি প্রয়োজনবোধের রাজনীতি করতেন। জিয়াউর রহমানের দর্শন হলো সময়ের আগে চিন্তা করা, রাজনীতি হবে গণমানুষের জন্য, মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে যাওয়া। আমরা জিয়াউর রহমানের দর্শন, আদর্শ চর্চার জন্য গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করবো। জিয়াউর রহমানের আদর্শ ইসলামের আদর্শ, মানবতার আদর্শ। তিনি দূর্নীতিমুক্ত মানুষ ছিলেন।
তিনি কখনো সময়ানুবর্তী থেকে বিচ্যুতি হন নাই। আপনাদের জিয়ার রাজনীতি লালন করতে হবে। তিনি অসততার সাথে কাজ করেছে তার একটি নথিও কেউ আজ পর্যন্ত দেখাতে পারেননি। দেশীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তি করেননি।”
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com