| রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫ | প্রিন্ট | ৬০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ‘দৈনিক আজকালের খবর’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির কোষাধ্যক্ষ রবিউল আলমকে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে বাধা ও তলপেটে লাথি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে। শনিবার (১২ জুলাই ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে অর্থনীতি বিভাগের আন্তঃসেশন খেলায় মারামারি চলাকালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় রবিউল আলম অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন,”বিকাল ৫ টার দিকে আমি অফিসে অবস্থান করছিলাম। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে ২০২০-২১ এবং ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ফুটবল খেলায় মারামারির ভিডিও করতে গেলে সাংবাদিক আরিফ বিল্লাহ হামলার শিকার হয়। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে আমি উপস্থিত হলে দেখি তারা আরিফ বিল্লাহ কে ঘিরে রেখেছে।
ঐসময় ভিডিও করতে গেলে তারা আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নিতে উদ্যত হলে আমি বলি ‘আমি সাংবাদিক এভাবে আপনারা আমাকে চার্জ করতে পারেন না।’ তখন কয়েকজন ‘তার মোবাইল কেড়ে নে,ওরে ধর,ভিডিও থাকলে ডিলিট দে’ বলে চারিদিক থেকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। এসময় অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের নাহিদ ইসলাম আমার তলপেটে লাথি মারে। তখন আমি মাটিতে পড়ে যায়। এসময় আমি আরও একজন সহকর্মীকে মারধর করতে দেখি। এসময় সমন্বয়ক এস এম সুইট, সহ সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী সহ কয়েকজন আমাকে উদ্ধার করে।” এ বিষয়ে অভিযুক্ত অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিভাগের আন্তঃসেশন খেলা হচ্ছিল। তখন বল আউট হওয়া না হওয়া নিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হয়। জুনিয়র একজন সরি বলে সমাধান করা হয়। এসময় আমি সাংবাদিক কাউকে মারিনি।
তবে পরে সাংবাদিকের প্রশ্নে স্বীকার করে বলেন, ‘আমার গলা ধরছে তখন আমি কি করব?’ এ কথা বলেই তিনি প্রতিবেদকের কল কেটে দেন। এ বিষয়ে ইবি সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, ‘খেলার মধ্যে হঠাৎ মারামারি শুরু হলে সেখানে আরিফ ভিডিও করতে গেলে আরিফের ওপর ওরা চড়াও হয়। এরপর একই ভাবে ওরা রবিউল এবং আরেকজন সাংবাদিককে মারধর করে৷ ঘটনাস্থলে আমি তাদের আটকানোর চেষ্টা করি। তবে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের সাথে এমন আচরণ অবশ্যই কাম্য নয়।
ঘটনা প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী বলেন, ‘সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ ছাড় দেওয়া হবে না। সাংবাদিকদের কারণেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ভালো আছে।সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব সম্মানের সাথে পালনের সুযোগ দেয়া উচিত। এক্ষেত্রে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় প্রশাসনেরও সহযোগিতা করা উচিত।’ উল্লেখ্য এর আগে গত ২০ এপ্রিল ক্যাম্পাসে বৈশাখীয়ানা মেলার আয়োজন করা হয়। ওই সময় আয়োজকদের মধ্যে নাহিদ ইসলামও একজন ছিলেন। তখন “হাজার খানেক বিক্রির মধ্যে ৫০০ টাকা চাঁদা দিতে হলো মামা” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওইদিন সে সাংবাদিক রবিউল আলমকে সরাসরি দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com