এস এম নওশের: | মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট | ৮৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
পশ্চিম বংগের মেদিনিপুরে রেলস্টেশনের মেঝেতে বাংলাদেশ পাকিস্তান আর প্যালেস্টাইনের পতাকার ছবি। পাব্লিক সেটা মাড়িয়ে যাচ্ছে এভাবে যদি জাতি গত ঘৃনা ছড়ানো হয় তাহলে কেমন করে বন্ধুত্ব হতে পারে? প্যালেস্টাইন আর বাংলাদেশ কি কাশ্মীরে যেয়ে হামলা করেছে? নিশ্চই না।
বরং আমি নিজে প্রমান কাশ্মীরি রা বাংলাদেশিদের অনেক অনেক বেশি ভালোবাসেন।আপন করে নেন।পাকিস্তানের একটা বিচ্ছিন্নতা বাদি দল হামলা করলেও পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে কিন্তু এর আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করা হচ্ছে।তাদের দরকার এবং এবং সাধারন মানুষ এই হামলার নিন্দা করছে।
এই বিচ্ছিন্নতা বাদিদের হামলা যেমন নিন্দনিয় তেমনি সেটা ভারতের সেনা নিরাপত্তা কেও প্রশ্নের মুখে ঠেলেছে।যেখানে ৫ লক্ষ সৈন্য যা কিনা ১০ ডিভিশনের ও বেশি সেখানে মোতায়েন আছে সেখানে এরা কেমন করে ঢুকল এই প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক যেখানে খোদ ভিকটিম রাই দাবি করছেন হামলার আধা ঘন্টা পরেও কোন আর্মি যায়নি তাদের উদ্ধারে।।
তার মানেটা কি?হয় এই হামলা থেকে তাদের সরকার জাতি গত বিদ্বেষ ছড়িয়ে বিশেষ ফায়দা নিতে চায় কারন সামনে নির্বাচন অথবা এই হামলা হল তাদের আর্মি ইন্টেলিজেন্স ফেইলুর। অর্থাৎ তাদের সেনাবাহিনি পর্যটক দের জীবনের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম নয়।যা দীর্ঘ মেয়াদি পর্যটক মন্দায় ফেলবে কাস্মীর কে।কারন কাস্মীর হল সম্পুর্ন পর্যটক নির্ভর একটা রাজ্য। সাধারন কাস্মিরিরা পড়তে যাচ্ছেন অর্থনৈতিক মন্দায়।
এখন আবার এ নিয়ে চলছে ভু রাজনৈতিক খেলা।ভার্ত সিন্ধুর পানি বন্ধ করে দিচ্ছে অদিকে পাকিস্তান সিমলা প্যাক্ট বাতিল করে একটা উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি করছে।
মুদি সরকার তার পর্বত প্রমান ব্যার্থতা আড়াল করতে একটা যুদ্ধের বাহানা খুজছে আর কাস্মিরের গন হত্যা কে জায়েজ করতে চাইছে।এর ভেতরে আবার বাংলাদেশ কেও জড়িয়ে ফেলতে চাইছে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com