এম জি রাব্বুল ইসলাম পাপ্পু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : | রবিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ৪৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্যগুদামে দুদকের অভিযান, ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ টন চালের বড় গরমিল কুড়িগ্রামে জেলা খাদ্যগুদামে অভিযান চালিয়ে ধান ও চালের মজুদে বড় ধরনের গরমিলের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার (১১ জানুয়ারি ) জেলা শহরের নতুন রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থিত জেলা খাদ্যগুদামের আটটি গোডাউন দিনভর পরিদর্শন করে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চালের ঘাটতি পাওয়া যায় বলে অভিযোগ করেছে দুদক।
দুদক সূত্র জানায়, কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ব্যবহার এবং সরকারি গুদামের ধান ও চাল অন্যত্র বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে গুদামে সংরক্ষিত ধান ও চালের কাগজপত্র যাচাই করে মজুদের সঙ্গে বাস্তব অবস্থার বড় ধরনের অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়। এ সময় কিছু চাল মানবভোগের অনুপযোগী বলেও প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।
জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. সাবদারুর ইসলাম জানান, ধান ও চালের ঘাটতি পাওয়া গোডাউনগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “ঘাটতির বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) হামিদুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
দুদক সূত্র আরও জানায়, তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে।
এই ঘটনায় জেলার খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com