আসাদুজ্জামান তালুকদার,নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি: | বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | ৪৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের কাকুরিয়া মাছিম গ্রামের মধুখালী খাল খনন নিয়ে গ্রামবাসীদের দু’পক্ষের মাঝে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মোফাজ্জল হোসেন গত মাসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঢাকাস্থ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি সামনে আসে। তিনি তার দায়ের করা অভিযোগপত্রে লিখেছেন, আমাদের দেশ নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলে বহু খাল ও জলাধার বিদ্যমান রয়েছে, যেগুলো এলাকার পানি নিষ্কাশন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আমাদের কাকুরিয়া মাছিম এলাকায় অতীতে মধুখালী নামক একটি খাল বিদ্যমান ছিল। উক্ত খালটি দীর্ঘদিন পূর্বে ভরাট হয়ে যাওয়ার ফলে অনেক স্থানে জমির মালিকগণ চেক মূলে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন এবং পুকুর খনন করে ভোগ-দখল করে আসছে।
সম্প্রতি সরকারি একটি প্রকল্পের উদ্যোগে খালটি খননের কাজ শুরু করা হয়েছে। কাজটি পরিচালনা করছেন মোঃ ফজলুল হক জলিল।
কিন্তু খাল খননের কার্যক্রম বর্তমান অবস্থায় পরিচালিত হলে এলাকার বহু বসতবাড়ি ও স্থাপনার ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে বহু পরিবার মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বিদ্যমান রয়েছে। এক কথায়, এই খাল খননের ফলে গ্রাম বাসীর উপকারের চেয়ে অপকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে অত্যাধিক।
এবিষয়ে স্থানীয়ভাবে এলজিইডি প্রকৌশলী অফিস, নেত্রকোণা বরাবর অভিযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এব্যাপারে জানতে চাইলে উজিয়াখালী খাল পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ ফজলুল হক জলিল জানান, তিনি এলাকার কৃষকদের ফসল রক্ষার্থে সরকারের নিয়ম মেনেই প্রকল্পের বরাদ্দ এনেছেন। একটা পক্ষ তার কাজে বাঁধা দিচ্ছে।
এবিষয়ে জানতে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মোঃ আনোয়ার ইমামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ১০ টা নাগাদ জানান, এবিষয়ে আমার কাছে ঠিক এই মূহুর্তে আপডেট তথ্য নেই। আমাকে খোঁজ নিয়ে জানতে হবে। তবে যেহেতু দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরী হয়েছে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন দেখবে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com