আনোয়ার হোসেন | বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ | প্রিন্ট | ৯৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
আলু-সবজিসহ কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, ন্যায্যমূল্যে সার-বীজ-কীটনাশকসহ সেচের পানি সরবরাহ এবং শ্রমজীবীদের জন্য স্বল্পমূল্যে রেশনের দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগ্রাম পরিষদ গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে শহরের পাবলিক লাইব্রেরির সামনে ডিবি রোডে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক এবং জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির জেলা সভাপতি রেবতী বর্মনের সভাপতিত্বে এবং সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের জেলা সংগঠক সবুজ মিয়ার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা সুভাস শাহ রায়, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির জেলা সভাপতি ইমদাদুল হক মিলন, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের জেলা সংগঠক জাহিদুল হক, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের জেলা সংগঠক আফরোজা আব্বাস, বাংলাদেশ কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের জেলা নেতা পরমানন্দ দাস প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি ব্যবস্থা বিপন্ন। কৃষি উপকরন সার-বীজ-কীটনাশক কৃষকের হাতে নেই। এমনকি এক্ষেত্রে সরকারেরও নিয়ন্ত্রন নেই। এখন এসব দেশী-বিদেশি সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের হাতে। ফলে কৃষকরা প্রতিনিয়ত সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের উচ্চ মুনাফার এবং প্রতারনার শিকার হচ্ছে। কৃষক তার উৎপাদিত ফসলের লাভজনক মূল্য পাচ্ছে না। বক্তারা আরও বলেন, গতবছর কৃষক আলুর দাম পায়নি। অথচ সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা কৃষকের কাছ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে আলু ক্রয় করে ৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছে। এবছরই একই অবস্থা। ক্ষেতমজুরদের সারাবছর কাজ নেই।
টিআর, কাবিখা, কর্মসৃজন প্রকল্প বন্ধ করে রেখেছে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। ব্যাংক ডাকাত, দুর্নীতিবাজ এবং লুটপাটকারীদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার না করে জনগণের ওপর অতিরিক্ত ভ্যাট এবং শুল্ক নির্ধারণ করে নিম্নআয়ের মানুষের জীবন দুর্বীসহ করে তুলেছে। নিত্যপণ্যের মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে কৃষি উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com