শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

গাইবান্ধায় গাছ কেটে জমি বেদখলের চেষ্টা থানায় ভুক্তভোগীর অভিযোগ

আনোয়ার হোসেন   |   সোমবার, ০৫ মে ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ১৫৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

গাইবান্ধায় গাছ কেটে জমি বেদখলের চেষ্টা থানায় ভুক্তভোগীর অভিযোগ
৪৬

গাইবান্ধায় বিক্রিত জমির গাছ কেটে জমি বেদখলের অপচেষ্টা। থানায় অভিযোগ করলেন জমি ক্রেতা ভুক্তভোগী আতিকুর রহমান মন্ডল। থানা পুলিশের ঘটনাস্থল পরিদর্শন। অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা সদর উপজেলার পশ্চিম পিয়ারাপুর (মন্ডলপাড়া) গ্রামের শহিদুর রহমান মন্ডলের পুত্র আতিকুর রহমান মন্ডল পিয়ারাপুর মৌজার জেএল নং: ৬৭, খতিয়ান নং ৪৭২, বর্তমান দাগ ৮৯৯ এর জমির পরিমান- ২১, দাগ-৬১৩ এর জমির পরিমান ১৩, মোট ৩৪ শতাংশ জমি ক্রয় সুত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখল করে আসছেন। এমতাবস্থায় একই গ্রামের প্রতিপক্ষ রেজাউল করিমের পুত্র শামীম মিয়া উক্ত জমি মিথ্যা দাবী করে জবর দখলের চেষ্টা করে আসেন।

এর এক পর্যায়ে রোববার (৪ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ১০টায় লোকজন নিয়ে জমিতে থাকা ৫টি মেহেগনি গাছ যার আনুমানিক মুল্য ১ লাখ ৫০ হাজার, কালি কড়াই গাছ ২টি যার মূল্য আনুমানিক ৫০ হাজার, শিমুলের গাছ ৬টি যার মূল্য আনুমানিক ৬০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ১৫টি ছোট বড় গাছ যার মূল্য আনুমানিক ৫০পঞ্চাশ হাজার টাকা কেটে ফেলে। গাছ কাটার কারণ জিজ্ঞাসা ও বাধা দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ ধারালো অস্ত্র উচিয়ে হত্যার জন্য ধাওয়া করে। এ ঘটনায় ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়। ভুক্তভোগী আতিকুর রহমান মন্ডল এ দিন শামীম মিয়াসহ ৬ জন আরও অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের নামে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে শামীম মিয়া জানান, ওই জমির ওপর গাছ-পালা লাগিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ভোগ দখল করে আসছি। তাই দখল সুত্রে কয়েকটি গাছ বিক্রি করেছি। গাছ ক্রেতা আঃ আজিজ জানান, আমি দীর্ঘ দিন ধরে গাছের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। শামীম মিয়া ছোট-বড় মিলে ১১টি গাছ মোট ২৮ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এর মধ্যে ৮ হাজার টাকা অগ্রিম দিয়ে গাছ কাটার জন্য শ্রমিক রফিকুল ইসলাম, টুলু মিয়া ও রাজা মিয়াকে পাঠাই। তারা ২/৩টি গাছ কাটার পর জানতে পারি ওই জমি নাকি আতিকুর রহমান মন্ডল কিনেছেন। এমন খবরে গাছ কাটা বন্ধ করে শ্রমিকদের সরিয়ে আনি। তবে শামীম মিয়া আমার কোন ভাগী শরিক নন কিংবা আমি ওই জমির কোন অংশিদার নই। এখানে আমার দ্বারা জমি বেদখল দেয়ার প্রশ্নই আসে না। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীনুর ইসলাম তালুকদার জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com