শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

গাইবান্ধায় বিপন্ন ‘হিমালয়ান গৃধিনী’ শকুন উদ্ধার

আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার   |   সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

গাইবান্ধায় বিপন্ন ‘হিমালয়ান গৃধিনী’ শকুন উদ্ধার
৪০

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কছিম বাজার এলাকা থেকে বিপন্ন প্রজাতির ‘হিমালয়ান গৃধিনী’ শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। গাইবান্ধা বন বিভাগের সহায়তায় শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন–তীর (টিম ফর এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ) গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার সদস্যরা আজ সোমবার বিকেলে শকুনটিকে উদ্ধার করেন। সন্ধ্যায় এটিকে রংপুর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তীর সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় লোকজন গতকাল রোববার সকাল ৯টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কছিম বাজার এলাকার বাসিন্দা আমিন হোসেনের জমিতে শকুনটিকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে আজ বিকেলে তীর গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শকুনটিকে উদ্ধার করে প্রথমে গাইবান্ধা বন বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় এটিকে রংপুর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শকুনটি উদ্ধারের সময় উপস্থিত ছিলেন তীর গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি জিসান মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মেজবাহুল হক, কার্যকরী সদস্য নিফাউল ইসলাম, সদস্য কাশফিহা খানম এবং সাইমুম ইসলাম প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) কর্মকর্তা সুলতান আহমেদ ও গাইবান্ধা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের পরামর্শে শকুনটিকে রংপুর বন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে শকুনটিকে উন্নত পরিচর্যার জন্য দিনাজপুরের সিংড়া জাতীয় উদ্যানের ‘শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যাকেন্দ্রে’ পাঠানো হবে। আইইউসিএনর প্রোগ্রাম অ্যাসিস্ট্যান্ট সুলতান আহমেদ জানান, হিমালয়ের প্রচণ্ড ঠান্ডা ও হিমঝড় সহ্য করতে না পেরে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে এই শকুনগুলো সমতলের দিকে চলে আসে। দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নেওয়ার সময় এরা অনেক সময় উড়তে পারে না, বিষয়টিকে স্থানীয় লোকজন অসুস্থতা ভেবে ভুল করেন। তীর গাইবান্ধা সরকারি কলেজে শাখার বর্তমান সভাপতি মোশারফ হোসেন জানান, বাংলাদেশে একসময় সাত প্রজাতির শকুন থাকলেও বর্তমানে ‘রাজশকুন’ পুরোপুরি বিপন্ন। দেশে মাত্র ২৬০টির মতো ‘বাংলা শকুন’ টিকে আছে। এই পরিস্থিতিতে পরিযায়ী হিমালয়ান গৃধিনী শকুন রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তীরের উপদেষ্টা ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান বলেন, প্রকৃতির ঝাড়ুদার হিসেবে পরিচিত এই পাখিগুলো মৃত পশুর মাংস খেয়ে পরিবেশকে রোগব্যাধি থেকে মুক্ত রাখে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com