আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ | শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | ৮৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আন্তর্জাতিক গীতাপাঠ মহোৎসব ২০২৫ পরিদর্শন, শ্রীকৃষ্ণের সর্ববৃহৎ বিগ্রহ উদ্বোধন করলেন সস্ত্রীক ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার (রাজশাহী) শ্রী মনোজ কুমার।
মন্দিরের দৃষ্টিনন্দন প্রধান ফটকে অতিথি বৃন্দদের হাতে ঊষ্ণ ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করেন
মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসসহ
সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার
হোসেনপুর ইউনিয়ন এলাকার মধ্যরামচন্দ্রপুর (বৃন্দা- বনপাড়া) গ্রামে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর সস্ত্রীকসহ আন্তর্জাতিক গীতাপাঠ মহোৎসব
অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং বক্তব্য রাখেন। মহোৎসবে আনুষ্ঠানিক গীতাপাঠ করেন ফরিদপুর জেলা থেকে
আসা গোপীনাথ দাস ব্রহ্মচারী।
এসময় গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি
গাইবান্ধা-৩ আসনে বিএনপি দলীয় মনোনীত প্রার্থী
অধ্যাপক ডা.সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক ও পলাশ-
বাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী ভুট্টো, মন্দিরের পুরোহিত ছাড়াও অন্যান্যরা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস
শান্তি-শৃঙ্খলা ও ভালোবাসা আবর্তের সান্নিধ্যে
মূর্তিটির নকশা তিনি নিজেই করেন। আর সুনিপুণ তুলির আঁচড়ে মূর্তিটি তৈরি করেন মালাকর বিধান মোহন্ত।
১ একর ২৮ শতাংশ জমির আয়তন জুড়ে পৃথিবীর
দ্বিতীয় বৃহত্তম ২৮ ফুট উচ্চতার ৩ মে.টন ওজনের
বিশাল আকৃতির মূর্তিটি অত্রালাকা জুড়ে একটি
বিশেষ সৌন্দর্যের মোহনীয় আবহ সৃষ্টি করেছে।
ইতোমধ্যেই এর ব্যয় দাড়িয়েছে প্রায় ১৭ কোটি টাকা।
মন্দিরের বিশাল চত্বর জুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের
বিভিন্ন দেব-দেবীর পৃথক ১’শ ৪৪টি প্রতিমা প্রতিষ্ঠার
কাজ এগিয়ে চলছে। চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্যমন্ডিত
দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের নির্মাণশৈলী আঁচরের সন্নিবেশে আধ্যাত্মিক পরিবেশের আবহে অবস্থিত মন্দিরটি বাংলাদেশের অন্যতম এবং বৃহত্তম একটি মন্দির
হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।
স্থানীয় ছাড়াও এ অঞ্চলের সর্বত্র মন্দিরটি ক্রমান্বয়ে
বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। গাইবান্ধা তথা উত্তরাঞ্চল
ছাড়াও দেশের দুর দুরান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য
সনাতন ধর্মালম্বী পূজারী-ভক্ত ও দর্শনার্থী দলে দলে
পূজাঅর্চনাসহ প্রার্থনায় মন্দির চত্বরে ঘটছে পদ-
চারণা।
বিভিন্ন বৃক্ষলতা, ফুল, ফলজ-বনজ দুর্লভ বৃক্ষের
ছায়া আবৃত মন্দিরের সুবিশাল চত্বরে প্রায়
প্রতিনিয়তই ভীড় জমাচ্ছেন আগতরা। মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস জানান, প্রতিদিনই এখানে নানামুখী উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ অব্যাহত।
তিনি বলেন, দিন-মাস ও বছর পেরিয়ে আমরা কেউ থাকবনা। কিন্তু এই মন্দিরটি এক দিন তীর্থ স্থানে পরিণত হয়ে কালের সাক্ষী হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে। মনুষ্যজগতে আমাদের ভালো এবং মন্দ দু’টোই উজ্জীবিত হয়ে থাকে। সেদিক থেকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন কখনোই মন্দ হতে পারেনা। আর এমন মানসিকতার অবস্থান থেকেই আমার এই মন্দির নির্মাণ।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com