ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: | মঙ্গলবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৬৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অর্থায়নে উপজেলা পরিষদের ভিতরে (৩০০মিটার) রাস্তা নির্মাণ কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্সের নামে কাজটি করছেন কাজী মনিরুজ্জামান নগরকান্দার এক ঠিকাদার।
কাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। রাস্তার দুই পাশে ১০ ইঞ্চি গাইড ওয়াল করা হয়েছে উক্ত রাস্তার সলিং এর পুরানো ইট দিয়ে। এবং রাস্তার পশ্চিম পাশের গাইড ওয়াল পুরনো গাইড ওয়ালের উপরে তিনখানা ইট দিয়ে গাঁথুনি করে সমাপ্ত করা হয়েছে। এত নিম্নমানের কাজের ফলে এলাকার লোকজনের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এই রাস্তার কাজ তদারকীতে উপজেলা এলজিডির উপসহকারী প্রকৌশলী আলিমুজ্জামানের বিরুদ্ধে নির্মাণ কাজ তদারকিতে গাফলতি আছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এলজিইডির ২০২৪-২৫অর্থ বছরে নন মিউনিসিপাল প্রকল্পের আরসিসি রাস্তা নির্মাণ কাজের অনুকুলে প্রায় ৪০লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়। এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির অনিয়মের অভিযোগের পর কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হলেও এখনো অনিয়মের মাধ্যমে কাজ দিয়েই উক্ত কাজ সমাপ্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুস এন্ড ব্রাদার্সের অনুকুলে কাজ নেওয়া কাজী মনিরুজ্জামান,
স্থানীয়দের অভিযোগ,এ ভাবে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকার বছর বছর লক্ষ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দিলেও সংশ্লিষ্টদের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এ রাস্তায় নিম্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের ফলে কিছু দিনের মধ্যেই রাস্তাটি ভেঙ্গে জলে যাচ্ছে সরকারি টাকা। কয়েক মাস যেতে না যেতেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে এসব সড়ক। ফলে সরকারি বরাদ্ধে অবমূল্যায়নের ফলে দুর্ভোগের শিকার হতে হয় এলাকাবাসীদের।
সরেজমিনে রাস্তার কাজে স্থানীয় সরকার প্রকৗশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কাউকে এসে তদারকি করতে দেখা যায়নি। এমনকি নির্মাণ কাজের কোন টেস্ট না করেই নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইটালি ইউনুস বলেন, কাজটির সকল ধরনের অনিয়ম বন্ধ করে সিডিউল মোতাবেক করার জন্য অনুরোধ জানান। তা না হলে আমরা ফরিদপুর সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে লিখিতভাবে অভিযোগ করব এবং ঠিকাদার ও এলজিইডির উক্ত কাজে তদারকির কাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করব।
অভিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক উক্ত কাজ সম্বন্ধে কিছুই জানেন না বলে জানান।কাজের মান এলজিইডি তদারকি করে বিল দিবেন।
এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, এই কাজে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর অধীনে টেন্ডারের চুক্তি মূল্য ধরা হয়েছে, প্রায় ৪০লক্ষ টাকা। উন্নয়ন কাজের চুক্তি মোতাবেক কাজ না হলে এবং কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল বিন করিম বলেন, এ সড়কে অনিয়ম হচ্ছে সেটা আমার জানা নেই। সড়কে কাজে অনিয়ম হচ্ছে এমন কোনো অভিযোগ এলাকাবাসী আমাকে জানায়নি।
ফরিদপুরের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদুজ্জামান বলেন, খোঁজ-খবর নিয়ে বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com